দহনে জ্বললেও বৃষ্টিতে স্বস্তি শিলিগুড়ি
দাবদাহ লাইভ, শিলিগুড়ি, সজল দাশগুপ্তঃ বুধবার বিকেলের রিমঝিম বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরলো শিলিগুড়িতে। একসময় শিলিগুড়িতে জুলাই, আগস্ট মাসে গায়ে গরম জামা চাপাতে হতো। বৃষ্টি হলেই ঠান্ডার অনুভূতি মিলত। এখন সেগুলো অতীত, দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তাপমাত্রা ঊর্ধ্বমুখী ছিল বিগত কিছুদিন ধরে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি থেকে ৩৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাঘুরি করছিল। দিনের বেলায় চড়া রোদে ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ছিল। হোটেল রেস্তোরাগুলি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছিলেন ক্রেতারা, তীব্র গরমে ফাস্টফুড খাওয়ার প্রতি অনীহা। আইসক্রিম কোলড্রিংস দিয়ে দহন জ্বালাকে কমানোর চেষ্টা। একইসঙ্গে পাহাড়েও ক্রমশ তাপমাত্রা বাড়ছিল, পর্যটকরা পাহাড়ে গিয়ে আর শীত শীত আমেজ অনুভব করতে পারছিলেন না। তবে বুধবার বিকেলে শিলিগুড়ি সংলগ্ন শালুগারায় রিমঝিম করে বৃষ্টি পড়ে, বৃষ্টিতে ভিজতে বেরিয়ে পড়েন বেশ কিছু মানুষ। এর সঙ্গে শিলিগুড়িতে বিকেলে হয় ঝড়ো হাওয়া। গরম কিছুটা হলেও কমেছে, স্বস্তি অনুভব করছেন শহরবাসী। একইসঙ্গে পাহাড়েও তাপমাত্রা অনেকটাই নিম্নমুখী হয়েছে। উল্লেখ্য, গোটা রাজ্য জ্বলছে দহন জ্বালায়। বিগত কিছুদিন ধরে শিলিগুড়িতে ও তাপমাত্রা ক্রমশই উদ্বোমুখি হচ্ছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি থেকে ৩৮ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করছে। পার্শ্ববর্তী শহর জলপাইগুড়ির অবস্থা একই। বৈশাখ মাসের শুরুতেই গরমে নাজেহাল শহরবাসী। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তীব্র অস্বস্তি। গরম থেকে খানিক স্বস্তি পেতে ভরসা ঠান্ডা পানীয়। তাই শিলিগুড়িতে ঠান্ডা পানীয়র বাজার এখন তুঙ্গে। আইসক্রিম, লস্যি, জুসের দোকানে দেখা যাচ্ছে মানুষজনের ভিড়। প্রসঙ্গত শিলিগুড়িতে বেড়ে গিয়েছে ডাবের চাহিদা, গরমের থেকে নিস্তার পেতে সবচেয়ে উপকারী ডাব। সেই কারণে ডাবের দিকে ঝোঁক বেড়েছে মানুষের। স্বাভাবিকের থেকে কিছুটা বেশি দামে বিকোচ্ছে ডাব, ডাবের দাম মোটামুটি ৪০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে ঘোরাফেরা করে। তবে চাহিদা বেড়ে যাওয়ার সাথে সাথে ডাবের দামেরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এই প্রসঙ্গে ডাব ব্যবসায়ীরা জানান, গরম বেশি তাই ডাবের চাহিদা বেড়ে গেছে সেই জন্য দামও বেড়েছে। গরম কিছুটা কমলে আবার আগের দামে ফিরে আসবে।








