প্রাক্তনীদের মান ভাঙাতে খেজুরিতে তৃনমূলের উদ্যোগ
দাবদাহ লাইভ, পূর্ব মেদিনীপুর, অক্ষয় গুছাইতঃ সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। সেই ভোটে নন্দীগ্রাম নিজেদের দখলে রাখতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল। স্থানীয় নেতৃত্ব বলছে, তেমনটা করতে হলে খেজুরিতেও সংগঠন শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সেই কারণেই রণজিত মন্ডলের অভিমান ভাঙিয়ে আরও বেশি করে তাকে সক্রিয় করার চেষ্টা করছে শাসকদল। পূর্ব মেদিনীপুরের রাজনীতিতে গিরি পরিবারের বিরোধী বলেই পরিচিত ছিলেন রণজিত মণ্ডল। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট বলছে, ২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যজুড়ে যখন বদলের হাওয়া উঠেছিল, সেই হাওয়াতে গা ভাসিয়েছিলেন খেজুরির তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক। যদিও সরাসরি জোড়াফুল ছেড়ে,পদ্মফুল শিবিরে যোগ দেননি তিনি। তবে অধিকারী পরিবারের ঘনিষ্ঠ এই নেতার সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল তৃণমূলের। একুশের বিধানসভা ভোটে রণজিতকে টিকিটও দেয়নি তৃণমূল। ২০২১ সালের ভোটে খেজুরিতে চূড়ান্ত ফল খারাপ হয় শাসকদলের। সংগঠনেও ধস নামে। এবার সেই খেজুরিতে সাংগঠনিক শক্তি ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় মরিয়া শাসকদল। ইতিমধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে কুণাল ঘোষকে। রবিবাসরীয় দুপুরে কাঁথিতে তাঁর উপস্থিতিতেই মুখোমুখি হলেন রণজিত মণ্ডল ও সুপ্রকাশ গিরি। সেখানেই খেজুরি বিধানসভা নিয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। যদিও এই বৈঠক নিছকই কাকতালীয় বলছেন কুণাল ঘোষ। তিনি বলেন, হঠাৎ করেই দু’জন একসঙ্গে চলে এসেছেন। আর উভয়েই তো এক রাজনৈতিক দলের সদস্য। বর্তমানে খেজুরিতে তৃণমূলের যে সাংগঠনিক কাঠামো। তাতে অধিকাংশই হলেন গিরি পরিবার ঘনিষ্ঠ। সেখানে রণজিত মণ্ডলের ভূমিকা কী হবে, এখন তাই নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চলছে জল্পনা।







