বড়দিনে সেজে উঠেছে শিলিগুড়ি
দাবদাহ লাইভ, শিলিগুড়ি, সজল দাসগুপ্তঃ শিলিগুড়ির প্রধাননগরের সবচাইতে বড় চার্চে শুরু হয়েছে প্রার্থনা। আজ সকাল থেকেই শিলিগুড়ির প্রধান নগরের সবচাইতে বড় চার্চে মানুষ চলে আসেন প্রভু যীশুর কাছে প্রার্থনা করতে। গীর্জায় গীর্জায় বেজে উঠেছে ঘন্টা। প্রভু যীশুর কাছে প্রার্থনা জানাতে উপস্থিত হয়েছেন আট থেকে আশি বছরের সমস্ত মানুষ। গীর্জাগুলি গত কয়েকদিন থেকেই সেজে উঠেছে অনেকখানি।শুধুমাত্র গীর্জাই নয় বড়দিন উপলক্ষে শিলিগুড়ির সমস্ত রাস্তায় লাগানো হয়েছে রঙিন লাইট। মেয়র জেলা সভাপতি পাপিয়া ঘোষ এবং মেয়র গৌতম দেব বড়দিন উপলক্ষে গোটা শিলিগুড়ির মানুষকে শুভেচ্ছা এবং শুভকামনা জানিয়েছেন। জেলা সভাপতি পাপিয়া ঘোষ জানিয়েছেন আজকের দিনে আমরা সবাই প্রভু যীশুর কাছে প্রার্থনা করব। প্রভু যীশুর আর্শীবাদ নিয়ে আমরা ভবিষ্যতে এগিয়ে যাব বলে জানালেন জেলা সভাপতি।এদিন বড়দিন উপলক্ষে শিলিগুড়ির সমস্ত দোকানে রেকর্ড পরিমানে বিক্রি হয়ে গেল কেক। একজন কেক বিক্রেতা জানিয়েছেন গত কয়েক বছরের তুলনায় এবারে রেকর্ড পরিমানে বিক্রি হয়েছে বড়দিনের কেক। শিলিগুড়ির বিধান মার্কেটে এইবার কেক বিক্রি গত দশ বছরের রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছে। শিলিগুড়িতে বিভিন্ন চার্চ এবং গির্জা সেজে উঠছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই।আজ শিলিগুড়ির বিভিন্ন জায়গাতে কেক সাজিয়ে বসে বসে আছেন বিক্রেতারা। আজ শিলিগুড়িতে কেক বিক্রেতারা। গত দুবছর ধরে একেবারেই বাজার হয় নি বলে জানালেন এক কেক বিক্রেতা। তাই এবারে আশায় আছেন তারা একটু লাভের আশায়। এবারে শিলিগুড়িতে প্রচুর বাইরে থেকে মানুষ এসেছেন কেক কিনতে।তাই এবারে কেক রেকর্ড পরিমানে বিক্রি হয়েছে বলে জানালেন এক কেক বিক্রেতা। নামী কোম্পানী ছাড়াও এবারে রাস্তায় বসা ক্রেতারাও হাসিমুখে কেক বিক্রি করছেন।এক কথায় বলতে পারা যায় সান্তা মশাই এবারে সোজা চলেই এসেছেন বিক্রেতাদের ঘরে। তাই এবারের বড়দিনের উৎসব শিলিগুড়িকে একটা আলাদা মাত্রা এনে দিল।








