বিশপুর পঞ্চায়েতে বাঁধ মেরামতে উদ্যোগী স্থানীয়রা
দাবদাহ লাইভ, বসিরহাট, বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ বাঁধ ভাঙলে বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পুনরায় বিপুল পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে বেশ কিছু গ্রামবাসীদের। কিন্তু নদী বাঁধের বেহাল দশা থাকলেও সঠিক পদ্ধতিতে তা মেরামত করা হয় না এমনই অভিযোগে দীর্ঘদিন যাবত ক্ষোভে ফুঁসছে গ্রামবাসীরা। নদী বাঁধে ফাটল, ধ্বস এ যেন স্থানীয়দের কাছে নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। পূর্বের ন্যায় বাঁধে ফাটল দেখা দেওয়ায় শেষমেশ স্থানীয় ফিশারি মালিকদের উদ্যোগে বাঁধ মেরামতের কাজ সুসম্পন্ন করে স্থানীয়রা। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লক এর বিশপুর পঞ্চায়েতের অন্তর্গত ধরমবেড়িয়া সুইস গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে এমনই দৃশ্য ধরা পড়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। ধরমবেড়িয়া সুইস গেট সংলগ্ন গৌড়েশ্বর নদীর বাঁধে আচমকাই দেখা দেয় বিপজ্জনক ফাটল। জোয়ারের সময় ওই ফাটল দিয়ে আশেপাশের চাষের জমিতে জল প্রবেশ করলে বিপুল ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে যেখানে চাষবাসই উপার্জনের একমাত্র পথ স্থানীয়দের কাছে। সেই ভাবনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়ে স্থানীয়রা। তাই কারও ভরসা না করে বাঁধ মেরামতের জন্য উদ্যোগী হয়ে ওঠে স্থানীয় ফিশারি মালিকেরা। স্থানীয় গ্রামবাসীদের তৎপরতায় ধরমবেড়িয়া সুইস গেটের পাশ থেকে মাটি কেটে বাঁধ মেরামতের কাজে নিজেরাই হাত লাগায়। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য বিশপুর এলাকায় থাকা গৌড়েশ্বর নদী বাঁধ দীর্ঘদিন যাবৎ বেহাল অবস্থায় থাকলেও সঠিক পদ্ধতিতে ওই বাঁধ মেরামত না করায় বারংবার সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় স্থানীয়দের। সঠিক পদ্ধতি মেনে ওই বাঁধ সংস্কার না হওয়ায় দীর্ঘদিন যাবৎ নদী বাঁধ নিয়ে স্থানীয় মানুষের মনে সৃষ্টি হয়েছে ক্ষোভ। স্থানীয়দের কথায় বিশপুর পঞ্চায়েতের ধরমবেড়িয়া সুইস গেটের পাশে থাকা গৌড়েশ্বর নদীর বাঁধ দীর্ঘদিন যাবত বেহাল অবস্থায় রয়েছে। প্রায়শই ওই বাঁধে দেখা দেয় ধ্বস, ফাটল, গর্তের মত সমস্যা। সাধারন মানুষের জীবন জীবিকা নিয়ে বড়ই উদাসীন প্রশাসন। বাঁধ সংস্কারের জন্য পঞ্চায়েতকে বারংবার জানিয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এদিন বাঁধে বিপজ্জনক ফাটল নজরে আসা মাত্রই মুলত বাধ্য হয়েই বাঁধ মেরামতের জন্য তৎপর হয়ে ওঠে স্থানীয় ফিশারি মালিকরা। তাদের উদ্যোগে এলাকার কিছু সংখ্যক গ্রামবাসী সুইস গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে মাটি কেটে বাঁধে তৈরী হওয়া ফাটল মেরামতের কাজ শুরু করে। বেশ কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে বাঁধে তৈরী হওয়া ফাটল মেরামত করতে সম্পূর্ণভাবে সক্ষম হওয়ার পাশাপাশি দুশ্চিন্তা মুক্ত হয়ে স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয় স্থানীয় গ্রামবাসীরা।








