বালি খাদান নিয়ে অভিযোগ
পাল্টা অভিযোগ শ্রমিকদের প্রধানের বিরুদ্ধে
দাবদাহ লাইভ, পূর্ব বর্ধমান, শ্রীমন্ত বাগ ও সম্পা মাইতিঃ পঞ্চায়েত নির্বাচন যত কাছে আসতে চলেছে ততই দেখা যাচ্ছে জেলা জুড়ে হট্টগোলের ছবি। জেলার নানা প্রান্ত থেকে তোলা আদায় নিয়ে অভিযোগ আসছে পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমান জেলা জামালপুর ব্লকের জোত শ্রীরাম পঞ্চায়েত অন্তর্গত জোর চাঁদ পাইকপাড়া ঘাটে মোট ২০০ জন শ্রমিক জল থেকে বালি তোলার কাজ করে আসছে দীর্ঘ চার বছর ধরে। চকদিঘী পঞ্চায়েত প্রধান এই কাজ বন্ধ করে দিয়েছে বলে শ্রমিকরা একদিকে যেমন অভিযোগ তুলতে শুরু করেছে। অপরদিকে বেআইনি খাদান থেকে বালি তোলার ফলে বিঘার পর বিঘা জমি, নদীর পাড়, ঘরবাড়ি নদী গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে বলে গ্রামের মানুষের অভিযোগ উঠলে যথাযথ আইনি ব্যবস্থ্যা নেওয়া হয়েছে বলে প্রধান জানান। প্রধানের আরও অভিযোগ যে দাগ নাম্বারে বালি তোলার অনুমতি সেখানে না কেটে পাশের দাগে বালি তোলা সম্পূর্ণ অবৈধ। কারো পেটের ভাত মারা নয়, অবৈধ বালি খাদানকে কেন্দ্র করে যেভাবে বালি তোলা হচ্ছে তার ফলে দামোদরের গতি প্রকৃতি বদলে যাচ্ছে ফলে বহু মানুষ হাহাকার করছে। তিনি আরো বলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের নির্দেশ, নদীর গর্ভে থেকে অবৈধভাবে বালি তোলা যাবেনা ও যে সকল নেতা-নেতৃত্ব বালির সাথে যুক্ত থাকবেন তাদের বিরুদ্ধে দল কড়া ব্যবস্থা নেবে। এর আগে ঠিক দাগ নাম্বারে বালি তুলছিলো, কিন্তু এখন দেখছি সেই দাগ নাম্বারে বালি তুলছে না। যা সম্পূর্ণ অবৈধ- অভিযোগ পেয়েই ঘটনাস্থলে দেখতে যাই কি পরিস্থিতি চলছে। তিনি আরো বলেন আমার কাছে খবর আছে ওটা অবৈধ বালি খাদান, এর পাশাপাশি আরো দুটো বালি খাদান আছে, সেখানেও অবৈধ ভাবে বালি তোলা কাজ চলছে, প্রতিদিন ১০০টা করে ডাম্পার ওভারলোড করে বালি নিয়ে যাচ্ছে, ওখানে একটা রাস্তা বেহাল হয়ে পড়েছে শুধুমাত্র ওভারলোড বালি ডাম্পার কারণে। এছাড়াও ওখানকার মানুষের অভিযোগ রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের সেটাও আমার কাছে এসেছে। এবং কোন জায়গায় অবৈধ ভাবে দিনের পর দিন বালির তোলা হয় প্রশাসনকে বলবো কঠোরভাবে কঠোর ব্যবস্থা নিতে। অন্যদিকে ওই বালি খাদানের দায়িত্বে থাকা এক কর্মচারির সাথে কথা হয়, তিনি জানান আমার কাছে বৈধ কাগজপত্র আছে, কিন্তু তাতেও পঞ্চায়েত প্রধান কেন বালির তোলা বন্ধ করলো, এটা আমাদের কাছে ধোঁয়াশা। এখনো পর্যন্ত আমরা কোনভাবে প্রশাসনের কাছে এই বিষয় নিয়ে লিখিত জানানো হয়নি, কর্মচারী ও শ্রমিকরা চাইছে নতুন করে আবার যেন বালি তোলার কাজ শুরু হোক। (ওই বালি খাদানের মালিকের সাথে কথা হয়) তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন আমার সাথে পঞ্চায়েত প্রধানের কোন কথা হয়নি, যা কথা হয়েছে শ্রমিকদের সাথে, আমার যা দাগ নাম্বার আছে সেই দাগ নাম্বারেই বালি কাটছি, যা কিছু হচ্ছে সবটাই বৈধভাবেই কাজ করা হচ্ছে, যদি মনে হয় পঞ্চায়েতের প্রধানের যে আমি ভুল দাগ নাম্বারে বালি কাটছি, তাহলে পঞ্চায়েত প্রধান আমিন এনে মেপে নিক ঠিক কি ভুল।




