পার্টি অফিসের দখল ঘিরে ধুন্ধুমার খড়গপুরে
দাবদাহ লাইভ, খড়গপুর, অক্ষয় গুছাইতঃ পার্টি অফিসে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রীর ছবি, তৃণমূলের ঝাণ্ডা আর সেই অফিসেই কাজ করছেন কংগ্রেস নেত্রী। পঞ্চায়েত ভোটের আগে, খড়গপুরে পার্টি অফিসের দখল ঘিরে চাপানউতোর চরমে। তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা অফিসের দখল নিতে গেলে শুরু হয় ধুন্ধুমার কাণ্ড। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়পুরের। পুলিশ এসে বের করে দেয় তৃণমূল কর্মীদেরই। দু’দলের টানাপোড়েনে আপাতত তালা পড়েছে পার্টি অফিসে। তৃণমূল না কংগ্রেস ? পার্টি অফিস কার? সেই নিয়ে বেজায় শোরগোল খড়গপুরে। খড়গপুর টাউনের ঝাপেটাপুরে এই পার্টি অফিস ঘিরেই টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। যার জল গড়াল থানা পর্যন্ত। সোমবার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা পার্টি অফিসে এলে পুলিশে খবর দেন স্থানীয় কংগ্রেস নেত্রী। তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে বচসা বেধে যায় পুলিশ কর্মীদের। শেষমেশ তাঁদের পার্টি অফিস থেকে বের করে দেয় পুলিশ। পার্টি অফিসের বাইরে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের ব্যানার লাগানো। রঙচটা দেওয়ালে আবছা দেখা যাচ্ছে নীল কালিতে লেখা তৃণমূল কংগ্রেসের নাম। অফিসের চাল থেকে শুরু করে গোটা চত্বরে ঝুলছে তৃণমূলের ঝাণ্ডা। ঘরের ভিতরের দেওয়ালেও জ্বলজ্বল করছে তৃণমূল নেত্রীর ছবি। তার সামনে বসেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া নেত্রী দাবি করছেন, এই পার্টি অফিস কংগ্রেসের। খড়গপুর টাউনের কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক সমিতা দাস বলেছেন, ‘আমার কংগ্রেসের অফিস। তৃণমূল দখল করেছিল। আমি পুলিশের সাহায্যে উদ্ধার করি’। পুরভোটের আগে তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন সমিতা দাস। কংগ্রেস প্রার্থী হিসাবে ভোটে লড়েন তিনি। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, সেই সময় ঝাপেটাপুরে তৃণমূল পার্টি অফিস নির্বাচনী কাজের জন্য তাঁকে ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছিল। সোমবার তা ফেরত নিতে গেলে গণ্ডগোল বাধে। মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা কমিটির সদস্য দেবযানী পাত্র বলেছেন, “আমি ওঁকে ভোটের কাজে ব্যবহার করতে দিয়েছিলাম। এটা তৃণমূলেরই অফিস।”








