ছট পূজা পালন গান্ধীঘাটে
দাবদাহ লাইভ, ব্যারাকপুর, শ্যামল করঃ ছট পূজা আমাদের বিশেষ করে বিহারী সম্প্রদায়ের খুব জাগ্রত উৎসব আর এই উৎসবকে ঘিরে চলে বিহারীদের বিশাল ধর্মযজ্ঞ সারাদিন রাত ধরে চলে গঙ্গায় ছট পূজার আয়োজন এই উপলক্ষে প্রত্যেকটি গঙ্গার ঘাটে পুলিশ প্রশাসন থেকে শুরু করে সমগ্র ধরনের রাজনৈতিক প্রশাসন পৌরসভা থেকে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। গঙ্গার ঘাটে ঘাটে দেওয়া হয় পুলিশের সুব্যবস্থা থাকে প্রচুর ভলেন্টিয়ার জায়গা থাকে না ঘাটে, লক্ষ মানুষের উপচে পড়ে প্রত্যেকটি গঙ্গার ঘাটে বিশেষ করে বিহারী সম্প্রদায় যেখানে বেশি থাকে এমনই এক উৎসব যা পালিত হয়ে আসছে যুগ যুগান্তর ধরে দিনে দিনে এর শ্রীবৃদ্ধি ঘটছে। তাদের আধ্য দেবতা এই সূর্য পূজা এই উপলক্ষে বিশেষ করে উত্তর 24 পরগনার টিটাগর খড়দহ পানিহাটি ভাটপাড়া জগদ্দল শ্যামনগর নৈহাটি প্রত্যেকটি ঘাটে জনসংখ্যা চোখে পড়ার মতো এমন এই বিশেষ দিনে খারাপ পশ্চিমবাংলার মধ্যে সর্ববৃহৎ ছট পুজো পালিত হচ্ছে বারাকপুর গান্ধী ঘাটে বিগত ২৮ বছর ধরে চলে আসছে এই ছট পূজার বিশেষ আয়োজন। এই উপলক্ষে সরকারি তরফ থেকে সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, গান্ধীঘাট কে লক্ষ্য করে, কেননা এই সরকারি সম্পত্তির জায়গাতে গান্ধীর নির্দেশ অনুসারে একমাত্র পারমিশন দেওয়া হয়েছে গান্ধী ঘাটে ছট পূজার। ৪৫ থেকে ৫০ হাজার ভক্তের সমাগম হয় এই গান্ধী ঘাটে ছট পূজা উপলক্ষে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পুলিশ ভলেন্টিয়ার থেকে বিভিন্ন ক্লাবের স্বেচ্ছাসেবকদের করা দৃষ্টি যাতে কোনো রকম দুর্ঘটনা না ঘটে এই ছট পূজা উপলক্ষে। সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এখানে সমগ্র গান্ধীঘাটের এলাকা জুড়ে বৃহ ৎ কর্মকাণ্ড গড়ে ওঠে এখানে ৪০টি জেনারেটর ৫০০ ফ্লাড লাইট এর ব্যবস্থা করা হয় এবং সারাদিন রাত ধরে চলে ও ভক্তদের খাবারের ব্যবস্থা। এর সব রকম দায়িত্ব ধার তুলে নেয় টিটাগর বউবাজারের হান্ডিয়া পট্টি প্রগ্রেসিভ মঞ্চ এবং টিটাগর কাঁউরিয়া সংঘ। গান্ধী ঘাটে পূজা চলাকালীন এবং স্নান পর্ব চলাকালীন বিশেষ ব্যবস্থা এবং কড়া নিরাপত্তা বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারেট অলক কাজোরিয়া নিজে সবসময় দৃষ্টি রাখেন এই পূজা উৎসবে উৎসবকে ঘিরে চলে সারাদিন পূজার চনা এবং খাওয়া দাওয়া অর্থাৎ ভান্ডারার ব্যবস্থা। আর এই বিশেষ দিনটিতে এখানে জমায়েত হন সমগ্র এমএলএ থেকে শুরু করে সমস্ত চেয়ারম্যান ভাইস চেয়ারম্যান কাউন্সিলরবৃন্দ তাদের প্রত্যেকের তৎপরতায় এই ছট পূজা সর্বাঙ্গিন ভাবে সার্থক হয়ে ওঠে। বিশেষ করে বলতে হয় এই মুখ্য উৎসবের মূল দায়িত্বে যিনি রয়েছেন তিনি হলেন ৭৮ বছর বয়সী তারকেশ্বর চৌধুরী ফাউন্ডার যাঁর উৎসাহে এবং উদ্দীপনায় এই ছট পুজো প্রতিবছর নিয়মিতভাবে পালিত হয়ে আসছে। তিনি জানান এই উৎসবে ৩০০ ভলেন্টিয়ার রয়েছে তাদের সংস্থার এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী বর্গ এবং সমাজ সেবীরা প্রত্যেকে এগিয়ে আসেন এই উৎসবকে সবদিক থেকে সার্থকভাবে পরিচালনা করবার লক্ষ্যে। টিটাগর প্রগ্রেসিভ মঞ্চ এবং টিটাগর কাঁউড়িয়া সংঘ সমগ্র পশ্চিমবঙ্গে এই উৎসব নিয়ম শৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে পালন করে চলেছে বলে জানান সংঘের ফাউন্ডার তারকেশ্বর চৌধুরী এবং সংঘের সেক্রেটারি গণেশ চৌধুরী। এই উৎসবে বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টিটাগর পৌরসভার চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ রাজ চক্রবর্তী বিধায়ক টিটাগর এবং বারাকপুর বিধানসভা কেন্দ্র চার নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার বিষ্ণু সিং ছ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পার্বতী দেবী সহ সমগ্র কাউন্সিলর বৃন্দ। যাদের নাম বিশেষ করে না বললেই নয় তাঁরা হলেন, সংঘের এডভাইসর কৃষ্ণ কুমার সাহা, কমলেশ সাও চেয়ারম্যান পৌরসভা হরিরাম চৌধুরী মেম্বার, শর্মা পারুইন সদস্য, ইনাম খান কাউন্সিলার, রাজেন্দ্র সনকার সদস্য, হরিরাম চৌধুরী সদস্য, মদন গুপ্তা সদস্য, দীনেশ প্রসাদ গুপ্তা ভাইস প্রেসিডেন্ট কানওয়ারা সংঘ, শীতল প্রসাদ গুপ্তা কানওয়ারা সংঘের সম্পাদক। পরিশেষে গান্ধীঘাট পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয় পৌরসভার পক্ষ থেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার মধ্য দিয়ে। ” ধর্ম যার যার উৎসব সবার”,








