এগরায় ঘাসফুল ছিন্ন কাস্তে হাতে
দাবদাহ লাইভ, এগরা, অক্ষয় গুছাইতঃ বছর ঘুরলেই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে লাগামছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তৃণমূল ছেড়ে কয়েকশো কর্মী-সমর্থক যোগ দিলেন সিপিএমে। পূর্ব মেদিনীপুরের এগরা-২ ব্লকের বাথুয়াড়িতে সভা করে দলে যোগ দেওয়া ওই কর্মী-সমর্থকদের হাতে তারা-হাতুড়ি-কাস্তে চিহ্নিত লাল পতাকা তুলে দেন এগরা-২ ব্লকের বালিঘাই এরিয়া কমিটির সদস্য নাসের হোসেন বেগ। একের পর এক দুর্নীতিতে নেতা-মন্ত্রীদের নাম জড়ানোয় অস্বস্তিতে রয়েছে শাসকদল। ঠিক এই পরিস্থিতিতে ড্যামেজ কন্ট্রোলের একটা মরিয়া চেষ্টা শুরু করেছে তৃণমূল। শহর কলকাতা-সহ একাধিক জেলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দিয়ে প্রথমে ব্যানার লাগানো হয়েছিল। ৬ মাসের মধ্যে নতুন তৃণমূল আসছে বলে ব্যানারে ফলাও করে লেখা ছাপা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া আরও একটি ব্যানারে ছেয়ে যায় তিলোত্তমা মহানগরী। সেই ব্যানারে লেখা হয়েছে, ‘সি বি আই-এর ভয় দেখিয়ে মমতাকে রোখা যাবে না।’ একের পর এক দুর্নীতিতে নেতাদের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় দলের ভাবমূর্তি রক্ষা নিয়ে বড়সড় চিন্তায় পড়ে গিয়েছেন তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। ১১ বছর ধরে রাজ্যে সরকার চালিয়ে আসা দলের নামে এমন ব্যানার পড়ায় সেই তত্ত্বই সামনে আনছেন রাজনৈতিক বিশ্লষকদের একটি বড় অংশ। বিরোধীরা অবশ্য মমতা-অভিষেকের ছবি দিয়ে লাগানো এমন ব্যানার নিয়ে টিপ্পনি কাটতে শুরু করে দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে জেলাস্তরে দলের ভাঙনে কয়েকগুণ অস্বস্তি বাড়িয়েছে জোড়াফুল শিবিরে, এমনই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দলে আসা নবাগত কর্মী-সমর্থকদের সভায় নাসের হোসেন বেগ বলেন, “বাথুয়াড়ি ও বিবেকানন্দ পঞ্চায়েতের কয়েকশো তৃণমূল কর্মী-সমর্থক সিপিএমে যোগ দিয়েছেন। আগামী দিনে এগরায় আরও বহু তৃণমূল নেতা-কর্মী সিপিএমে যোগ দেবেন”। এব্যাপারে তৃণমূলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি রবীন্দ্রনাথ মাইতি বলেন, “ঘটনাটি আমার বিধানসভা এলাকার নয়। বিষয়টি আমার জানাও নেই। খোঁজ খবর নিয়ে দেখছি।”















