তারকেশ্বরে শ্রাবণী মেলায় প্রশাসন সতর্ক
দাবদাহ লাইভ, তারকেশ্বর, শ্রীমন্ত বাগঃ হুগলি শেওড়াফুলি বৈদ্যবাটি নিমাই তীর্থ ঘাট সহ একাধিক জায়গার ঘাট থেকে জল নিয়ে,কাঁধে বাঁক নিয়ে জলযাত্রীরা তারকেশ্বর মন্দিরের উদ্দেশ্য পায়ে হেঁটে যান। করোনায় দু’বছর বন্ধ ছিল শ্রাবণী মেলা। বৈদ্যবাটি পৌরসভার ও তারকেশ্বর পৌরসভার উদ্যোগে নতুন করে এই বছর আবারও শুরু হয়েছে শ্রাবণী মেলা; গোটা শ্রাবণ মাস জুড়ে পুণ্যার্থীরা তারকেশ্বরের বাবার মাথায় জল ঢালতে আসেন। এই মেলা হয় সপ্তাহে দুই দিন রবিবার ও সোমবার। শ্রাবণী মেলার উপলক্ষে গঙ্গার ঘাট গুলি ব্যারিকেড, মাইকিং ও সিসিটিভি লাগানো হয়েছে। পুলিশ ও প্রশাসনের তরফ থেকে রাখা হয়েছে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মন্দির প্রাঙ্গণে রাখা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ সিভিল ভলেন্টিয়ার, পৌরসভার ও পুলিশের তরফ থেকে পুণ্যার্থীদের জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বাবার দুধপুকুরে স্পিডবোর্ড রাখা হয়েছে। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য প্রশাসন সদা সতর্ক। বাড়ানো হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ ও সিভিক ভলেন্টিয়ার। পৌরসভার চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে ২০ জনের বিশেষ টিম গঠন করা হয়েছে। এই টিম পুণ্যার্থীদের জন্য দ্রুত কাজ করতে সাহায্য করবে এবং মন্দির চত্বরে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। দমকলের একটি ইঞ্জিন রাখা হয়েছে মন্দিরের চত্বরে। এছাড়াও আছে পানীয় জলের ব্যবস্থা,শ্রাবণী মেলার উপলক্ষে রবিবার ও সোমবার পুণ্যার্থীদের জন্য স্পেশাল ট্রেন।
খবর এক নজরেঃ
ভারতের প্রতি ঘরে উড়ুক এই পতাকা
ফসল নষ্ট করে জমি দখল প্রশাসনের
ফসল নষ্ট করে জমি দখলের নির্দেশ প্রশাসনের
জেলা প্রশাসনের নির্দেশে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা রোডের কদমডিহা গ্রামে কৃষকদের চোখের সামনে ট্রাক্টর চালিয়ে নষ্ট করা হল ১৫০ বিঘা জমির ফসল। ক্ষতির পরিমাণ প্রায় কুড়ি লক্ষ টাকা। কপাল চাপড়াতে চাপড়াতে হা হুতাশ করল কৃষকরা আর সেই ঘটনা দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে পর্যবেক্ষণ করে নিজের ডিউটি পালন করলেন স্থানীয় সমষ্টি উন্নয়ণ আধিকারিক — এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ওই জমি রাজ্য সরকারের খাস জমি হিসাবেই পরিচিত। খাস জমি হওয়ায় এলাকার ৫০ জন চাষি বেশ কয়েক বছর ধরে ওই জমিতে চাষের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। এতদিন কেউ কোনও রকম বাঁধা দেয়নি চাষীদের। সম্প্রতি চন্দ্রকোনারোড শহরকে যানজট মুক্ত করতে শহর সংলগ্ন কদমডিহা এলাকাতে ৬০ নম্বর জাতীয় সড়কে রেল লাইনের উপর একটি ওভারব্রিজ তৈরির পরিকল্পনা হয়। ইতিমধ্যেই ওভারব্রিজ তৈরি করার জন্য ওই জায়গা পরিদর্শন করেছেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ। উল্লেখ্য, চাষীদেরও নোটিশ দিয়ে জমি খালি করার কথা জানানো হ’লে গুরুত্ব না বুঝে আবার চাষের কাজ শুরু করে দেন। প্রশাসনও বিমান বাহিনী কর্তৃপক্ষের চাপে দখল মুক্ত করার নির্দেশ দেয়। আর তাতেই বাড়ে বিপত্তি। কৃষকরা তিন সপ্তাহ সময় চাইলেও প্রশসনিক তড়িঘড়িতে মাত্র ৩ দিন সময়ে ফসল ঘরে তোলা সম্ভব না হওয়ায় এই ক্ষয়-ক্ষতি। তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর অজিত মাইতি ক্ষোভের সাথে জানান ‘ফলা ফসল নষ্ট করা মহাপাপের’। স্থানীয় কৃষকরা আরও মনে করিয়ে দেন, ‘দিদির ক্ষমতায় আসার মূলে ছিল জমি আন্দোলন’।


















