লোন পাওয়া নিয়ে প্রতারকের খপ্পড়ে ব্যবসায়ী
দাবদাহ লাইভ, পাঁশকুড়া, অক্ষয় গুছাইতঃ লোন পাইয়ে দেওয়ার নামে করে প্রতারণা। নেপথ্যে সেই অর্পিতা কিনা ত’ ধন্দে পাঁশকুড়া বাসী। সম্প্রতি পার্থ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ট অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের ফ্লাট থেকে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারের ঘটনা ও একাধিক ভুয়ো সংস্থার সাথে অর্পিতার জড়িয়ে থাকা নিয়ে যখন তোলপাড় রাজ্য, ঠিক তখনই পূর্ব মেদিনীপুরের পাঁশকুড়া থেকে উঠে এলো লোন পাইয়ে দেওয়ার নামে অর্পিতা নামক এক মহিলার ৭২ হাজার টাকার প্রতারণার অভিযোগ। জানা গেছে কয়েকমাস আগে ১৫ লক্ষ টাকা লোন পাইয়ে দেওয়ার নাম করে পাঁশকুড়ার পশ্চিম চিল্কা এলাকার বাসিন্দা শ্রীকান্ত বেরার মোবাইলে ফোন আসে। ব্যবসার অবস্থা খারাপ হওয়ায় লোন পেতে আগ্রহী হন শ্রীকান্ত বাবু। এরপর তাকে সব ডকুমেন্ট রেডি করতে বলা হয়। অর্পিতা নামে এক মহিলা কোম্পানির তরফে কথাবার্তা বলেন। এরপর শ্রীকান্ত বাবুর দোকানে এক ব্যক্তিকে সংস্থার লোক পরিচয়ে পাঠিয়ে সমস্তরকম ডকুমেন্ট সংগ্রহ করা হয়। ফোনে অর্পিতা জানান ড্রাফট রেডি আছে, খুব শীঘ্রই লোনের টাকা শ্রীকান্তবাবুর একাউন্টে ঢুকে যাবে। এরপর স্থানীয় ব্যাংকে ড্রাফট পাঠানোর কথা বলে কয়েক দফায় শ্রীকান্ত বাবুর কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়। শ্রীকান্ত বাবুর একাউন্টে টাকা চলে যাবে বলে জানান সেই মহিলা। মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও শ্রীকান্ত বাবুর একাউন্টে লোনের টাকা ঢোকে নি। একাউন্টে টাকা না পেয়ে টাকা ফেরত দিতে বললে তারপর থেকে আর ফোন ধরেননি অর্পিতা। অবশেষে শ্রীকান্ত বাবু বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার স্বীকার। সম্প্রতি অর্পিতা মুখোপাধ্যায় এর ফ্ল্যাট থেকে টাকা উদ্ধার ও বিভিন্ন ভুয়ো কোম্পানির সাথে অর্পিতা যুক্ত জানার পর চিন্তিত শ্রীকান্ত বাবু। ফোনে দিনের পর দিন প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা হাতিয়ে নেওয়া অর্পিতা সেই অর্পিতা নয় তো? সংবাদমাধ্যমের দ্বারস্থ শ্রীকান্ত বাবু। সেখানেই বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি। সাইবার ক্রাইম নিয়ে প্রশাসনের তরফ থেকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করা হলেও সব মানুষ যে সচেতন নন এই ঘটনাই তার প্রমাণ।

















