আইএসসি ৩য় নববারাকপুরে স্বর্ণাভকে সংবর্ধনা পুরপ্রধানের
দাবদাহ লাইভ, নববারাকপুর, বিশেষ প্রতিবেদনঃ ইন্ডিয়ান স্কুল সার্টিফিকেশন (আইএসসি) পরীক্ষায় উত্তর শহরতলির জয় জয়কার। বাংলার ১৬জন তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন ৯৯.২৫ শতাংশ নম্বর পেয়ে। অর্থাৎ ৪০০ এর মধ্যে ৩৯৭ নম্বর পেয়ে। মধ্যমগ্রাম সেন্ট জুডস হাই স্কুলের ছাত্র স্বর্ণাভ বিশ্বাস। রবিবার ফল প্রকাশের পর সোমবার সন্ধ্যায় স্বর্ণাভর বাড়িতে গিয়ে সংবর্ধিত করেন পুরসভার পুরপ্রধান প্রবীর সাহা। উপস্থিত ছিলেন পুরসভার এক ঝাঁক পুর প্রতিনিধি এবং ৩নং ওয়ার্ডের সদস্যরাও। স্বভাবতই খুশির হাওয়া এলাকায়। পুরসভার পুরপ্রধান স্বর্ণাভর হাতে ফুলের তোড়া প্রীতি উপহার মিষ্টির প্যাকেট গল্পের বই কলম তুলে দেন। আর্শীর্বাদ করেন আগামীর উজ্জ্বল ভবিষ্যত। পুর প্রতিনিধিরা স্বর্ণাভকে জড়িয়ে ধরে সম্ববর্ধিত করেন। ৩নং ওয়ার্ড কমিটি এবং তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি মনোজ সরকার তাকে সন্মানিত করেন। চলে মিষ্টিমুখ। বিধায়ক ও রাজ্যের অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের মোবাইলে শুভেচ্ছা অভিনন্দন বার্তার শোনান স্বর্ণাভকে। এহেন সাফল্যে স্বভাবতই খুশি স্বর্ণাভ। একমাত্র ছেলের সাফল্যে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন বাবা মা সহ পরিবারের আত্মীয় পরিজনরা। ইংরেজিতে ৯৮,অংকে ১০০,রসায়নে ১০০,কম্পিউটার সায়েন্স ৯৯,পদার্থবিদ্যায় ৯৭ এবং হিন্দি তে ৯০ পেয়েছেন। মা স্বাতী বিশ্বাস গুহ বাংলায় এমএ পাশাপাশি ফটোগ্রাফার্স এবং বাবা অমিত বিশ্বাস ওয়ার্ল্ড চেস আরবিটেটর। কৃতী পড়ুয়া স্বর্ণাভ বলেন এই সাফল্যে খুশি। বাবা-মা, বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষা এবং শিক্ষক শিক্ষিকা গৃহ শিক্ষকদের সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে এই সাফল্যের পিছনে। ভবিষ্যতে কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়। এবং মাস্টার্স করবার ইচ্ছা রয়েছে। নয় বছর বয়স থেকে দাবা খেলতাম। দাবারু দিব্যেন্দু বড়ুয়ার কর্মশালায় গিয়ে ভীষণ ভাবে অনুপ্রেরণা পাই। সেই থেকে স্কুল লেভেল এবং জাতীয় স্তরে ও সর্বত্র দাবা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে অনেক পুরষ্কার স্মারক পেয়েছি। ২০১২ সালে কমনওয়েলথ দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ অনুর্ধ্ব ১৮ তে ও অংশগ্রহণ সফলতা অর্জন করেছি। পাশাপাশি ক্যারাটে ব্ল্যাক বেল্ট পেয়েছি ২০১৪ সালে। সারা দিন পড়াশোনার মধ্যেই থাকতাম। এবছর জয়েন্ট এন্টার্সে ইঞ্জিনিয়ার-এ র্যাঙ্ক হয়েছে ১৭৮। বাবা অমিত বিশ্বাস বলেন ছোটবেলা থেকেই দাবা খেলত। দাবা খেলার মধ্যে দিয়ে ভীষণ ধৈর্য্য বেড়েছে। এক কথায় দাবার মধ্যে ভাগ্যটাকে পরিবর্তন করেছে। ভারতের হয়ে চেন্নাই কমনওয়েলথ অলিম্পিকে একটি টর্চ পেয়েছে। দশম শ্রেণীতে শিক্ষক ছিল না। একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির গৃহ শিক্ষক ছিল। টিচাররা ঈশ্বরের মতো। ভীষন ভাবে খেটে পড়িয়াছেন। তার ফলে এই বিরাট সফলতা। নিজে হাতে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং করত। ভবিষ্যতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়বে।









