অমরনাথে ধুপগুড়িবাসী নিখোঁজদের হদিশ মিলেছে
দাবদাহ লাইভ, শিলিগুড়ি, সজল দাশগুপ্তঃ অমরনাথ যাত্রায় গিয়ে আটকে পড়লেন জলপাইগুড়ি শহরের ১০ জন। তাঁরা পুরসভার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। সম্প্রতি এই শহর থেকে একটি দল অমরনাথে গিয়েছিলেন। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আটকে পড়েন তাঁরা। তবে সকলেই নিরাপদে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রসঙ্গত,শুক্রবার কালীমাতা ও অমরনাথ গুহার মাঝে মেঘভাঙা বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসের কারণে ভেসে যায় পুণ্যার্থীদের অন্তত ২৫টি ক্যাম্প। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আনুমানিক ৩০ জন। বহু পুণ্যার্থীকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। উদ্ধারকাজে নেমেছে এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ। বিপর্যয় মোকাবিলায় নেমেছে আইটিবিপির জওয়ানরাও।এদিকে আটকে পড়া জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দাদের উদ্বার করতে আজই নেমে পড়লেন জলপাইগুড়ির যুব তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সৈকত চক্রবর্তী। তিনি আজই কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন,এবংতিনি মুখ্যমন্ত্রীর সাথে দেখা করে জলপাইগুড়িতে আটকে পড়া বাসিন্দাদের বিষয়ে কথা বলবেন। চিন্তায় পরিবারের মানুষ।তবে আজ সকালে ফোন আসায় কিছুটা শান্তি ধুপগুড়ি থেকে অমরনাথে গিয়ে আটকে পড়া যাত্রীদের পরিবার। ধূপগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান রাজেশ সিং জানিয়েছেন, একসঙ্গেই অমরনাথ গিয়েছিলেন খলাই গ্রামের বাসিন্দা অপু ভাওয়াল, ধূপগুড়ি ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা দেবব্রত দাস, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা অপু পাল, নেতাজি পাড়ার বাসিন্দা টনি পাল, বিধান সাহা এবং অজয় ঘোষ । তাঁদের সকলের খোঁজ মিলেছে। জানা গেছে, তাঁরা সুস্থ আছেন। জেলাশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের উদ্যোগে সকলেই নিরাপদে রাজ্যে ফিরিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। গতকাল থেকেই চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিয়ে ওই ছটি পরিবারের মানুষ সময় কাটিয়েছেন। কোথায় আছে কিভাবে খাচ্ছে কিছুই জানতে না পারায় চোখে জল এসে গিয়েছিল তাদের। একমাত্র ওয়াটসআপ করে তাদের অবস্থান বুঝছিলেন তারা।তবুও কিছুতেই চিন্তামুক্ত হতে পারছিলেন না তারা।অবশেষে আজ সকালে ফোন আসে তারা সকলে ঠিক আছেন এবং ভালো আছেন।এখন তারা দিন গুনছেন তাদের সন্তানদের ফেরত আসার অপেক্ষায়।











