দাবদাহ, বনগাঁ, নীলাদ্রি ভৌমিকঃ উত্তর ২৪ পরগনার প্রতিটি পুরসভায় নব নির্বাচিত পুরবোর্ড উন্নয়নের ১১ বছরের প্রচার, প্রদর্শনী থেকে পাড়ায় সমাধান কর্মসূচী সফল করতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে। আগামী ২১ মে থেকে শুরু হবে দুয়ারে সরকার কর্মসূচী। অনলাইনে যার প্রস্তুতি চলছে। সীমান্ত অঞ্চল বনগাঁ পুরসভা বর্ষার কথা মাথায় রেখে এবং পরিবেশ সুরক্ষায় এবার ইছামতী নদীর কচুরিপানা পরিষ্কার করতে আনতে চলেছে অত্যাধুনিক যন্ত্র। এর জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়াও সারা। ৯৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই যন্ত্র আগামী মাসেই আসতে চলেছে। সূত্রে খবর এই যন্ত্র দিয়ে নিয়মিত নদীর কচুরিপানা সাফাইয়ের পাশাপাশি নদী থেকে তোলা কচুরিপানা দিয়ে তৈরি করা হবে জৈবসার ও হস্ত শিল্পের কাজও করা হবে। পুর প্রধান গোপাল শেঠের মন্তব্য, ‘নদীয়ার দত্তফুলিয়া থেকে স্বরুপনগর পর্যন্ত নদী সংস্কার করে তার স্রোতসিনি চেহারা ফিরিয়ে আনা হবে। তাছাড়া এর ফলে কর্মসংস্থান সহ পুরসভার বার্ষিক আয়ও বাড়বে’। বর্তমান পুরসভার পক্ষ থেকে ‘উন্নয়নের এগারো’ উদযাপন ও পাড়ায় সমাধান কার্মসূচ্মাপাশাপাশি শিশুদের যোগাসন প্রতিযোগিতা, খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জন সংযোগ বাড়ানোর উদ্দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি, পুরপ্রধান তথা বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি গোপাল শেঠ দুঃস্থ রোগিদের সুবিধার্থে স্বাস্থ্য সাথীর সঙ্গে সেবাযান কে যুক্ত করার আবেদন জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠিও দিয়েছেন। প্রশাসনিক কাজ দক্ষতার সঙ্গে করার পাশাপাশি দলের সভাপতি হিসাবেও দলের মধ্যে ক্ষোভ ও গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব মেটাতে শক্ত হাতে হাল ধরেছেন বনগাঁর প্রাক্তন বিধায়ক। দলের কার্যালয় সর্বজয়ায় তৃণমূলের কর্মী সভায় সকলকে এক হয়ে কাজ করার পরামর্শ দেন। অর্থাৎ একদিকে শহরের যানজট ও শব্দদূষণ রোধে পদক্ষেপ করা, অন্যদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচন কে পাখির চোখ করে বনগাঁ মহকুমার গ্রামাঞ্চলেও পরিষেবা প্রদান ও জন সংযোগ বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হয়েছে। এক ক্তহায় কাজের মানুষ এবং দক্ষ সংগঠক গোপাল শেঠ, মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিত পথে উন্নয়নের প্রসারে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন। তাঁর ভূমিকায় খুশি বনগাঁ সহ মহকুমার আপামর মানুষ।













