যশস্বী প্রধান মনোনীত হাবড়ার ঝুমা ঘোষ
দাবদাহ লাইভ, হাবরা, সংবাদদাতা: সকলের তরে সকলে আমরা, প্রত্যেকে আমরা পরের তরে। —এই আপ্তবাক্যকে পাথেয় করেই পথচলা শুরু করেছিলেন হাবড়া বেড়গুম-২ এর পঞ্চায়েত প্রধান ঝুমা ঘোষ। এলাকার মানুষজন পূর্বতন প্রধানদের থেকে কয়েক কদম এগিয়েই রাখেন তাঁকে। অজাতশত্রু – যশস্বী ঝুমাদেবীর সুমিষ্ট ব্যবহার এবং জনপরিষেবা প্রদানে ইতিমধ্যেই তিনি এলাকাবাসীর নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন। ১৫মে আল্ট্রাটেক সিমেন্ট ও প্রথম সারির এক মিডিয়া পার্টনারের পক্ষ থেকে উত্তর ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলী ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার গ্রাম পঞ্চায়েতের উন্নয়ন ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মের মাপকাঠিতে ৭০০টি গ্রাম পঞ্চায়েতে সমীক্ষা করে ১০০টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে থেকে ২০জন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে ‘যশস্বী প্রধান’ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। উত্তর ২৪ পরগনার হাবড়া-১ নং ব্লকের বেড়গুম-২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ঝুমা ঘোষ যোগ্যতার নিরিখে ‘যশস্বী প্রধান’ নির্বাচিত হন। কলকাতা নিউটাউনের এক সম্ভ্রান্ত হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সংগঠনদ্বয়ের পক্ষ থেকে শ্রীমতীঘোষের হাতে সম্মাননা-পত্র সহ পারিতোষিক প্রদান করা হয়। খুশির এই খবরে উচ্ছ্বসিত বেড়গুমবাসী সহ বৃহত্তর এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী- সমর্থকরা। উল্লেখ্য, বেড়গুমের পার্শ্ববর্তী গ্রাম পঞ্চায়েত ধর্মপুর- ১ এর প্রধান নির্মল ঘোষের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এক ভুয়ো সাংবাদিককে আটকে রেখে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে। তাঁর এই বাহুবলী অমানবিক কার্যকলাপে তৃণমূল দল বিপাকে পড়ছে বলে প্রচারে জানা যায়। ঘটনা প্রকাশ হতেই নিন্দার ঝড় উঠে চারদিকে। ১০০ দিনের কাজে কারচুপি, স্বজন-পোষণ, তোলাবাজি ও আবাস যোজনার মত একাধিক বিষয়ে নির্মলবাবুর দুর্নীতির অভিযোগ ইতিমধ্যে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিতও হয়। শুধুমাত্র নির্মলবাবু বলে কথা নয়, রাজ্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তৃণমূলের নিম্নস্তরের কিছু নেতা-কর্মীদের দাদাগিরি, ঔদ্ধত্য ও দৌরাত্ম্যে অতিষ্ঠ দলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। দলের ভাবমূর্তি বিনষ্টকারীদের বিরুদ্ধে বরাবরই কঠিন ও সিদ্ধহস্ত মুখ্যমন্ত্রী। এমনই আবহে বেড়গুমের ঝুমা ঘোষের মত প্রধানেরা সত্যি দলীয় লক্ষ্মী- সম্পদ বলেই মনে করেন ওয়াকিবহালমহল। সকলেই এক বাক্যে স্বীকার করলেন সমাজে এ ধরনের জনদরদী, মানবিক মানুষের সংখ্যা যত বৃদ্ধি পাবে ততই সমাজের মঙ্গল।

















