ধৃত শিশুসহ ১২ জন বাংলাদেশী
দাবদাহ লাইভ, বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ কাশ্মীরের পেহেলগাঁওয়ে জঙ্গী হামলার পর ভারত সরকারের পক্ষ থেকে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী ও পাকিস্তানিদের ভারত ছাড়ার নির্দেশিকা জারি করা হয়। সেই নির্দেশ অনুযায়ী অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ রুখতে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে বিএসএফ। অবৈধভাবে কেউ যাতে বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে পারাপার করতে না পারে তার জন্য প্রতিনিয়ত তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে বিএসএফ ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে। চলছে টহলদারি। সীমান্ত এলাকায় সন্দেহভাজন কাউকে দেখলেই জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে একের পর এক অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী নাগরিকেরা গ্রেফতার হয়ে চলেছে। তবুও বিরাম নেই। সাহসের সাথে অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারে সহযোগিতা করে চলেছে দালাল চক্র। এবার সূত্র অনুযায়ী হানা দিয়ে ১২ জন বাংলাদেশীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। নদীয়ার হাঁসখালি থানা এলাকার ঘটনা। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, তিন থেকে চার বছর আগে শিশু সহ ১২ জন বাংলাদেশী অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর দক্ষিণ ২৪ পরগনা এলাকা হয়ে ভারতের পশ্চিম অংশের বিভিন্ন জায়গায় বসবাস করে তাঁরা। ভারতের ঘোষণা শুনে হাঁসখালি থানা এলাকায় ফেরত আসে তাঁরা। এরপর ভারতীয় দালাল মারফত সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে ফেরত যাওয়ার চেষ্টা করতেই ঘটে বিপত্তি। পুলিশ গোপন সূত্রে সেই খবর পেয়ে অভিযান চালায়। অভিযান চালিয়ে কোনও বৈধ নথি না মেলায় বাংলাদেশের যশোর নারাইল জেলার বাসিন্দা রেজাউল শেখ, কুলচুম বেগম, এনামুল শেখ, আমিন মোল্লা, হাবিবুর মোল্লা, আব্বাস আলী শেখ, কাজল শেখ, হোসনারা বেগম, মিনারুল শেখ, আবদুল্লাহ আনসারী, রিফু আনসারী, রুকিয়া আনসারী নামে শিশু সহ মোট ১২ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে হাঁসখালি থানার পুলিশের পক্ষ থেকে ধৃতদের রানাঘাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। পুলিশ জানায়, যে সকল দালালরা অবৈধভাবে বাংলাদেশীদের এ রাজ্যে প্রবেশ করতে বা বাংলাদেশে ফেরত যেতে সহযোগিতা করছে, তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হচ্ছে।জেলার খবর : উত্তর ২৪ পরগণা জেলা
সরকারি কাজে বাধার অভিযোগ আমডাঙ্গায়
নিউজ এক ঝলকে
ধৃত শিশুসহ ১২ জন বাংলাদেশী
73%



















