গোবরডাঙ্গায় মুকুলিকার নাট্যোৎসব
দাবদাহ লাইভ, হাবরা, অনন্ত চক্রবর্তী: গত ২৬ মার্চ সন্ধ্যায় গোবরডাঙ্গার মুকুলিকার মঞ্চে মঙ্গলদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে মহাসমারোহে শুরু হয় মুকুলিকা গানের স্কুল আয়োজিত আনন্দ ধারা নাট্য উৎসব ২০২৫। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশিষ্টজনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পবিত্র মুখোপাধ্যায়, সংস্কার ভারতীর প্রতিনিধি সুভাষ ভট্টাচার্য ও দোলন চক্রবর্তী, কাউন্সিলর রত্না বিশ্বাস চৌধুরী প্রমুখ। আয়োজক সংস্থা মুকুলিকার অন্যতম কর্ণধার সংগীত শিক্ষিকা অনিমা দাস মজুমদার সকল বিশিষ্টজনদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ তাঁদের বক্তব্যে সুস্থ সংস্কৃতির চর্চা ও প্রসারে মুকুলিকার প্রয়াসকে স্বাগত জানিয়ে আয়োজিত উৎসবের সাফল্য কামনা করেন। পাঁচ দিনব্যাপী আয়োজিত উৎসবে উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠানগুলির মধ্যে ছিল মুকুলিকা গানের স্কুলের শিক্ষার্থীদের একক ও সমবেত কন্ঠের সংগীতানুষ্ঠান। ছিল নৃত্য, শ্রুতি নাটক ও নাট্যানুষ্ঠান। ২৭ ও ২৮ মার্চ অনুষ্ঠিত নাট্যকর্মশালায় এলাকার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা অংশগ্রহণ করে। ২৯ মার্চ কীর্তন গানের কর্মশালা শেষে পরিবেশিত হয় সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও শ্রুতি নাটকের অনুষ্ঠান। উৎসবের শেষ দিনে আসেন গোবরডাঙ্গা পৌরসভার পুর প্রধান শংকর দত্ত ও সংস্কার ভারতীর জেলা কমিটির সভানেত্রী শাশ্বতী নাথ। মুকুলিকার প্রাণপুরুষ শিক্ষক আস্তিক মজুমদার পৌর প্রধান শ্রীদত্তকে বরণ করে নেন। বিশিষ্টজনেরা মুকুলিকা আয়োজিত উৎসবের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি কামনা করে বক্তব্য রাখেন। এদিন শুরুতে বাগনার আলো নাট্য সংস্থা মঞ্চস্থ করে নাটক ‘বসুসেন’। গোবরডাঙ্গার নাবিক নাট্যম প্রযোজিত নাটক ‘নিহত শতাব্দী’। সব শেষে পরিবেশিত হয় চাঁদপাড়া অ্যাক্টো প্রযোজিত সুভাষ চক্রবর্তী নির্দেশিত নাটক ‘ছাঁচ ভাঙার গান’। এলাকার বহু কচিকাঁচা ও সংস্কৃতি প্রেমী মানুষজনের উচ্চকিত কলতানে সার্থক হয়ে ওঠে আনন্দধারা নাট্য উৎসব।

















