Banner Top
Tuesday, 24 March, 2026

নিউজ এক ঝলকে

May send any Query by Mail: dabadahalive@gmail.com

March 2026
S M T W T F S
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
293031  

Social

GOOGLE PLUS

PINTEREST

FLICKR

INSTAGRAM

Advertisement

img advertisement

বিষ্ণু মাল হত্যাকান্ডে ৭ জনের ফাঁসি

                                                                 দাবদাহ লাইভ, বৈশাখী সাহা,উত্তর ২৪ পরগনাঃ  হুগলির চুঁচুড়ায় প্রেমঘটিত কারণে এক যুবককে তুলে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার পর তাঁর দেহটি ৬টি খন্ড করে বিভিন্ন স্থানে ফেলা হয়। সেই হত্যাকান্ডে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিল ৮ জন। দীর্ঘ সময় ধরে চলে সেই মামলার শুনানি। বৃহস্পতিবার সেই মামলার ঐতিহাসিক রায় ঘোষনা করে চুঁচুড়া আদালত। ২০২০ সালের ১১ অক্টোবর ত্রিকোণ প্রেমের জেরে চুঁচুড়া শহরের জনবহুল রায়েরবেড় এলাকা থেকে বছর ২৩ এর যুবক বিষ্ণু মালকে মোটরবাইকে করে তুলে নিয়ে যায় হুগলির কুখ্যাত দুষ্কৃতী বিশাল দাস ও তাঁর সাগরেদরা। এরপর ওই রাতেই চাঁপদানি এলাকার একটি বাড়িতে বিষ্ণুকে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করে বিশাল। এরপর মৃতের দেহটিকে আটটি খন্ড করা হয়। দেহ খন্ডিত করার দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দিও করেছিল। এরপর দেহাংশগুলো প্যাকেটে ভরে শেওড়াফুলি ও বৈদ্যবাটির বিভিন্ন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনার তদন্তে নেমে ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে যুক্ত সমস্ত অপরাধীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। জেরায় বিষ্ণুর দেহের খন্ডিত অংশ কোথায় কোথায় ফেলা হয়েছে তার সন্ধান দেয় দুষ্কৃতিরা। সেই অনুযায়ী পুলিশ দেহাংশ উদ্ধার করতে পারলেও বিষ্ণুর কাটা মুন্ডু খুঁজে বার করতে রীতিমতো কালঘাম ছুটেছিল পুলিশের। পরবর্তীতে ক্যানিংয়ের জীবনতলা থানা এলাকায় কয়েকজনকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে কুখ্যাত দুষ্কৃতি বিশাল দাস। পরে চন্দননগর পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে চুঁচুড়া থানায়। বিষ্ণুর কাটা মুন্ডু কোথায় ফেলেছে পুলিশের জেরায় তা কবুল করে সে। এরপর তাঁর কথা অনুযায়ী বৈদ্যবাটি খালের ধার থেকে প্লাস্টিকে মোড়ানো অবস্থায় বিষ্ণুর মুন্ডু উদ্ধার করে পুলিশ। চুঁচুড়া শহরে এই নারকীয় হত্যার নিন্দায় সরব হয়েছিল সমস্ত ধরনের মানুষ। যতবারই দুষ্কৃতি বিশাল দাস ও তাঁর সাগরেদদের আদালতে তোলা হয়েছে, ততবারই সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ ওই নারকীয় হত্যাকান্ডে জড়িত দোষীদের ফাঁসির দাবিতে সরব হয়েছিলেন। গত ২৫ শে নভেম্বর কুখ্যাত দুষ্কৃতি বিশাল দাস ও তাঁর ৭ সাগরেদকে দোষী সাব্যস্ত করে চুঁচুড়া আদালতের ফার্স্ট ট্রাক কোর্ট। বৃহস্পতিবার পুলিশের কড়া পাহারায় অপরাধীদের চুঁচুড়া আদালতে পেশ করা হলে, ফাঁসির দাবিতে আদালত চত্বরে জড়ো হন বহু মানুষ। চুঁচুড়া আদালতের ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে মামলা চলাকালীন সমস্ত দিক বিচার বিবেচনা করে কুখ্যাত দুষ্কৃতি বিশাল দাস সহ তাঁর ৬ সঙ্গীকে ফাঁসি ও ১ জনকে ৭ বছরের কারাদন্ডের সাজা ঘোষণা করে চুঁচুড়া আদালত। রায় ঘোষনার পর আদালত চত্বরে কান্নায় ভেঙে পড়েন বিষ্ণুর মা বাবা ও তাঁর বোন। এ বিষয়ে সরকারি আইনজীবি বিভাস চট্টোপাধ্যায় বলেন, মামলাটি সাড়ে তিন বছরের ধরে চলেছে, যেখানে ৩৪ জন সাক্ষী দিয়েছে। আসলে বিষ্ণু একটা মেয়েকে ভালোবাসত। সেই অপরাধে তাঁকে তুলে নিয়ে গিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করার পর দেহটিকে মুরগি কাটার চপার দিয়ে টুকরো করে কেটে ফেলা হয়েছিল। সমাজের বুকে অতি বিরল এই ঘটনা। আদালত ওই মামলায় আজ সাত জনকে ফাঁসি ও একজনকে ৭ বছরের কারাদন্ডের সাজা শোনায়।

বহু মূল্য ক্যালিফোর্নিয়াম উদ্ধারে ধৃত তৃণমূল কর্মী

বহু মূল্য ক্যালিফোর্নিয়াম উদ্ধারে ধৃত স্বামী সহ তৃণমূল কর্মী

বাড়ি থেকে উদ্ধার ক্যালিফোর্নিয়াম,ধৃত স্বামী সহ তৃণমূল কর্মী 

                                             দাবদাহ লাইভ, বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ  সূত্রের ভিত্তিতে সেনাবাহিনীর সুকনা ক্যাম্পের আধিকারিকদের নেতৃত্বে এনডিএফআর ও দার্জিলিং জেলা পুলিশ, অভিযান চালিয়ে এক ধরনের ভয়ঙ্কর তেজস্ক্রিয় মৌল সহ ভারতের প্রতিরক্ষা গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করে এক পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যার বাড়ি থেকে। তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। দার্জিলিং এর নকশালবাড়ির বেলগাছি চা বাগান এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাতে নকশালবাড়ি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা, অমৃতা এক্কার বাড়িতে জেলা পুলিশ আধিকারিকদের সাথে নিয়ে সেনাবাহিনীর আধিকারিক ও এনডিআরএফ এর কর্মীরা অভিযান চালায়। সেখানে অভিযান চালিয়ে ক্যালিফোর্নিয়াম নামক ভয়ঙ্কর তেজস্ক্রিয় মৌল ছাড়াও প্রতিরক্ষা গবেষণা সংক্রান্ত প্রচুর নথি উদ্ধার করেন তাঁরা। উদ্ধারকৃত ক্যালিফোর্নিয়াম নামক ওই তেজস্ক্রিয় মৌল এতটাই মূল্যবান, যার ১ গ্রামের মূল্য ১৭ কোটি টাকা। পাশাপাশি এতটাই ক্ষতিকারক ওই মৌল যে, কোনভাবে শরীরে প্রবেশ করলে বা কোন ব্যক্তির আশেপাশে থাকলে ধীরে ধীরে শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে মৃত্যু অবধারিত তাঁর। তাই রীতিমতো তেজস্ক্রিয়তা প্রতিরোধী বিশেষ ধরনের পোশাক ও অক্সিজেন সিলিন্ডার সাথে নিয়ে সেই তেজস্ক্রিয় মৌলটি উদ্ধার করেন এনডিআরএফ কর্মীরা। পরবর্তীতে উদ্ধারকৃত ক্যালিফোর্নিয়াম নামক ওই তেজস্ক্রিয় মৌল, পরমাণু শক্তি মন্ত্রক এর আধিকারিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেনাবাহিনী সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে কিছু ক্যালিফোর্নিয়াম চুরি হয়েছিল। যার খানিকটা বিহারের দুই ব্যক্তির কাছ থেকে উদ্ধার হয়। সেখান থেকেই তৃণমূল নেতার হেফাজতে তেজস্ক্রিয় ওই মৌল এসেছে বলে মনে করছেন গোয়েন্দারা। ধৃতরা ভারতের শত্রু এমন কোনও দেশের চর হিসেবে কাজ করছিলেন বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথমে ফ্রান্সিস এক্কা এবং তাঁর স্ত্রী অমৃতা এক্কা বেলগাছি চা বাগানের শ্রমিক ছিলেন। পরে পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূলের টিকিটে লড়াই করে পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা হন ফ্রান্সিসের স্ত্রী। তেজষ্ক্রিয় মৌল ও গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হওয়ায়, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা ও তাঁর স্বামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।  পাশাপাশি, তাঁদের বাড়ি সিল করে পুলিশ পিকেট বসানো হয়। ধৃতদের আদালত মারফত নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ধৃতদের কাছে কবে, কোথা থেকে, কিভাবে, কেন, কত অর্থের বিনিময়ে, কার মারফত ওই তেজস্ক্রিয় মৌল পৌঁছেছিল, ওই কার্যকলাপের সাথে আর কে বা কারা কিভাবে যুক্ত তার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তদন্ত সাপেক্ষে সম্পূর্ণ বিষয়টি প্রকাশ পাবে বলে জানায় পুলিশ।

শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার পথে পর্যটক বোঝাই বাস দুর্ঘটনার কবলে

শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার পথে পর্যটক বোঝাই বাস দুর্ঘটনার কবলে

শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার পথে পর্যটক বোঝাই বাস দুর্ঘটনার কবলে 

                                                         দাবদাহ লাইভ, শিলিগুড়ি, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ  শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার রাস্তায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা। ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পরে  পর্যটক বোঝাই একটি বাস। এই সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত চার জন নিহত হয়েছেন বলে  অনুমান করা হচ্ছে । তবে  তারা সকলেই পর্যটক কিনা সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।  শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়ার পথে রং রংপোতে  দুর্ঘটনার কবলে পড়ে বাসটি,খাদে পড়ে যায়  বাসটি।  খুব সম্ভবত বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে সেই কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটে এমনটাই মনে করা হচ্ছে । আহত হয়েছেন আনুমানিক ১৮ থেকে ২০ জন। আনুমানিক ১৮ থেকে ২০ জন । দুর্ঘটনা ঘটার পর  স্থানীয় মানুষ এবং সেনাবাহিনী উদ্ধার কার্য শুরু করেন। তবে ঠান্ডা থাকায়  এবং কিছুটা অন্ধকার হয়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়তে হচ্ছে তাদের।  এই ঘটনা খবর প্রকাশ পাওয়া পড়ে সিকিম থেকে শিলিগুড়ি এবং শিলিগুড়ি থেকে সিকিমগামী সমস্ত পর্যটক বোঝায় বাসকে কিছুক্ষণের জন্য আটকে রাখা হয়। উদ্ধারকারী দল দ্রুত গতিতে উদ্ধারকার্য শুরু করে। আহতদের ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে  সিকিমের বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। । এখনো পর্যন্ত ঠিক অনুমান করা যায়নি , বাসে ঠিক কতজন যাত্রী ছিল।  অনুমান করা হচ্ছে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ জন যাত্রী ছিলেন।

বিষ্ণু মাল হত্যাকান্ডে ৭ জনের ফাঁসি
User Review
0% (0 votes)
Banner Content
Dabadaha is a News Media House under the Brand of Dabadaha Live ( দাবদাহ লাইভ) via Website as WEB NEWS

0 Comments

Leave a Comment