চিকিৎসক স্টিকার লাগানো গাড়ি থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমান গাঁজা
দাবদাহ লাইভ, বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ নাকা চেকিং এর সময় সন্দেহজনকভাবে ‘চিকিৎসক’ স্টিকার লাগানো একটি গাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালাতেই চক্ষু একেবারে চড়কগাছ পুলিশের। গাড়ি থেকে উদ্ধার হয় বিপুল পরিমান গাঁজা ও নগদ অর্থ। শুক্রবার গভীর রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বারুইপুর থানার অন্তর্গত কুরালি মোড় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার রাতে কুরালি মোড় এলাকায় নাকা চেকিং চালাচ্ছিল পুলিশ। সেই সময় ওড়িশার বালেশ্বর থেকে ক্যানিং অভিমুখে দ্রুত গতিতে যাওয়া, ‘চিকিৎসক’ স্টিকার লাগানো একটি চার চাকা গাড়ি দেখে সন্দেহ হয়। সন্দেহজনক গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালাতেই গাড়ি থেকে ১২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে পুলিশ। যার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক ১২ লক্ষ টাকা। এ ছাড়াও উদ্ধার হয় নগদ ১ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকা। ওই ঘটনার জেরে ওড়িশার বালেশ্বরের বাসিন্দা বাসন্তী সেনাপতি সহ চালক দেবনাথ নস্কর, ক্যানিং এর বাসিন্দা সৌভিক বৈদ্য ও কুলতলির বাসিন্দা কার্তিক নস্কর, এই চারজনকে গ্রেফতার করে বারুইপুর থানার পুলিশ। গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। যদিও এখনও পর্যন্ত গাড়ির মালিকের কোন হদিশ পাওয়া যায়নি। ‘চিকিৎসক’ স্টিকার লাগানো গাড়িতে ওই বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, তা জানার জন্য ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে বিশেষ কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানায় পুলিশ। বেআইনিভাবে মাদকদ্রব্য পাচারের অপরাধে ধৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করার পাশাপাশি, পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বারুইপুর থানার পক্ষ থেকে, শনিবার ধৃতদের বারুইপুর আদালতে পেশ করা হলে আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক। গাড়িতে বিপুল পরিমাণ গাঁজা কোথা থেকে কিভাবে এসেছে, কোথায় কার কাছেই বা নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, ওই মাদকদ্রব্য পাচার চক্রের সঙ্গে আর কে বা কারা কিভাবে জড়িত, ধৃতরা কতদিন যাবত ওই কারবারের সাথে যুক্ত, ওই মাদক পাচার চক্র কতদূর পর্যন্ত জাল বিস্তার করেছে, এমনই নানান প্রশ্নের উত্তরের সন্ধান পেতে ধৃতদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে, ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। তদন্ত সাপেক্ষে সম্পূর্ণ বিষয়টি জানা সম্ভব হবে বলে জানায় পুলিশ।
চিকিৎসক স্টিকার লাগানো গাড়ি থেকে উদ্ধার বিপুল পরিমান গাঁজা
99%

















