হাবড়ায় আলোময়ী তানিস্ক
দাবদাহ লাইভ, হাবরা, অনন্ত চক্রবর্তী: শরতের নীল আকাশে শুচিশুভ্র মেঘ, মাঠে-ঘাটে কাশফুলের দোলন, বাতাসে শিউলির গন্ধ আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র-এর মহিষাসুরমর্দিনীর আবেগমন্ডিত স্তোস্ত্র-পাঠ প্রকৃতির সর্বত্র শারদশ্রীকে প্রকটিত করে । আগমনীর আগমন বার্তার এমনই আবহে হাবড়া সপ্তপল্লী মোড় পার্শ্বস্থ তানিস্কের জমকালো আলো কালেকশন ঐশানী’র ‘রূপং দেহি’ মনস্কামনার সার্থক রত্ন ভান্ডারকে সূচিত করে । তানিস্ক নির্মিত আলো— এক কথায় হস্তনির্মিত সোনার গহনার একটি পুজো সংগ্রহশালা বা যক্ষের ভান্ডার । প্রতিটি গহনার উজ্জ্বলতা, মনোরম চালচিত্র, বৈচিত্র্যপূর্ণ জালি, নাকাশির স্থায়ী কমনীয়তা ইতিবাচকতার প্রতীক—যা কিনা জগজ্জননী মা দুর্গার মহিমান্বিত প্রতিমা এবং বিষ্ণুপুরের ধর্মীয় মন্দিরের নকশা দ্বারা অনুপ্রাণিত । সমস্ত গয়নাগুলির কেন্দ্রবিন্দু হলো ধুনুচি, নৌকা এবং পালকির মতো মাঙ্গলিক প্রতীক দ্বারা বেষ্টিত দশভূজার প্রতিমাকে চিত্রিত করা। তাই পুজোয় নারীর সৌন্দর্যায়নের একমাত্র নির্ভুল ঠিকানা তানিস্ক। অতএব কালক্ষেপ নয়, পুজোয় প্রতি পদক্ষেপে রূপের ঝলক পেতে তানিস্কের স্বর্গীয় ছোঁয়া— আপনার কালজয়ী সত্তাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়। তানিস্কের পক্ষ থেকে স্টোর ম্যানেজার সোমনাথ ঘোষ ও দেবলীনা বিশ্বাস জানান, ‘এবার পুজোয় আমাদের শোরুমে প্রতি গ্রাম সোনা কেনাকাটার জন্য থাকছে ৪৭৫ টাকা পর্যন্ত ডিসকাউন্ট (২৭ সেপ্টেম্বর থেকে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত )। থাকছে পুরনো গহনার পরিবর্তে তানিস্কের নতুন গহনা ক্রয়ের সুব্যবস্থা। প্রতিটি কেনাকাটার জন্য আকর্ষণীয় উপহার।’ আর এই আড়ম্বরপূর্ণ প্রদর্শনীর শুভারম্ভের সাক্ষী থাকতে আজ ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় হাবড়া হাটথুবার ‘তানিস্ক’ আপনাদের স্বাগত জানায়।


















