
দাবদাহ লাইভ, গোবর ডাঙ্গা, নিজস্ব সংবাদদাতা: নিতান্তই পারিবারিক বিবাদের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোবরডাঙা থানার অন্তর্গত গণদীপায়ন গ্রামের সাহাপাড়া এলাকা। ঝাড়ের বাঁশ কাটা নিয়ে উভয় পক্ষ পরস্পর বচসা থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে । অচিরেই হাতাহাতি মারামারিতে পরিণত হয় । এবং উভয় পক্ষই কমবেশি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে । উভয়ই পরস্পরের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বলে থানার সূত্রে জানা গিয়েছে । ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে যে, গণদীপায়ন গ্রামের সাহাপাড়ার বাসিন্দা জুয়েল দে ও শিপন দে । তাঁরা পরস্পর মামাতো-পিসতুতো দুই ভাই । তাঁদের বসত বাড়িও পাশাপাশি । সেখানেই রয়েছে একটি বাঁশ ঝাড় । যা শিপনবাবুর পরিবারের সম্পত্তি । অভিযোগ যে, জুয়েলবাবু শিপনবাবুকে আগাম কিছু না-জানিয়ে পাঁচটি বাঁশ কাটেন । এই নিয়ে শিপনবাবু, জুয়েলবাবুর মায়ের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান । এবং তিনি এ-ও বলেন যে, “কেটেছিস ঠিক আছে । জানিয়ে কাটলেই হোত ।” ই ঘটনা গত ১৮ জুলাইয়ের । উভয় পক্ষের কথা কাটাকাটির মধ্যেই জুয়েলবাবু মদ্যপ অবস্থায় একটি ভাঙা বোতল দিয়ে শিপনবাবুকে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ । তাতে শিপনবাবুর হাত কেটে রক্ত ঝরতে থাকে । তাঁদের হট্টগোলে প্রতিবেশিরাও ছুটে আসেন । রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ প্রতিবেশিরাই উভয়কে নিয়ে পাড়ার ক্লাবের অন্যতম সদস্য ও সমাজসেবক প্রসেনজিৎ পোদ্দারের বাড়িতে যায় । শ্রীপোদ্দার জানান, “ওরা যখন এলো শিপনের হাত থেকে অঝোরে রক্ত পড়ছিল । তা আমার ঘরের মেঝেতেও পড়ে । আমি সবার সামনেই দু’জনকেই সামান্য বকাঝকা করে মিটিয়ে দিই । ওরা বাড়িও চলে যায় ।” এব্যাপারে উভয়ই স্থানীয় থানায় পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে । প্রসেনজিৎবাবুর বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে সূত্রের খবর । থানাসূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের নামে জামিনযোগ্য ধারায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে । এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করে নি । অন্যদিকে, পারিবারিক এই ঘটনাকে অনেকেই রাজনৈতিক রঙ দিতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এব্যাপারে তৃণমূলের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, উভয়ই তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী-সদস্য । বিষয়টা পুরোপুরি ব্যক্তিগত বলেও ওই সূত্রে জানা গিয়েছে ।
নিউজ এক ঝলকে
গোবরডাঙায় পারিবারিক বিবাদে আহত ২
গোবরডাঙায় পারিবারিক বিবাদে আহত ২
দাবদাহ লাইভ, গোবর ডাঙ্গা, নিজস্ব সংবাদদাতা: নিতান্তই পারিবারিক বিবাদের জেরে উত্তপ্ত হয়ে উঠল গোবরডাঙা থানার অন্তর্গত গণদীপায়ন গ্রামের সাহাপাড়া এলাকা। ঝাড়ের বাঁশ কাটা নিয়ে উভয় পক্ষ পরস্পর বচসা থেকে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে । অচিরেই হাতাহাতি মারামারিতে পরিণত হয় । এবং উভয় পক্ষই কমবেশি আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে । উভয়ই পরস্পরের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে বলে থানার সূত্রে জানা গিয়েছে । ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে যে, গণদীপায়ন গ্রামের সাহাপাড়ার বাসিন্দা জুয়েল দে ও শিপন দে । তাঁরা পরস্পর মামাতো-পিসতুতো দুই ভাই । তাঁদের বসত বাড়িও পাশাপাশি । সেখানেই রয়েছে একটি বাঁশ ঝাড় । যা শিপনবাবুর পরিবারের সম্পত্তি । অভিযোগ যে, জুয়েলবাবু শিপনবাবুকে আগাম কিছু না-জানিয়ে পাঁচটি বাঁশ কাটেন । এই নিয়ে শিপনবাবু, জুয়েলবাবুর মায়ের কাছে গিয়ে অভিযোগ জানান । এবং তিনি এ-ও বলেন যে, “কেটেছিস ঠিক আছে । জানিয়ে কাটলেই হোত ।” ই ঘটনা গত ১৮ জুলাইয়ের । উভয় পক্ষের কথা কাটাকাটির মধ্যেই জুয়েলবাবু মদ্যপ অবস্থায় একটি ভাঙা বোতল দিয়ে শিপনবাবুকে আক্রমণ করেন বলে অভিযোগ । তাতে শিপনবাবুর হাত কেটে রক্ত ঝরতে থাকে । তাঁদের হট্টগোলে প্রতিবেশিরাও ছুটে আসেন । রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ প্রতিবেশিরাই উভয়কে নিয়ে পাড়ার ক্লাবের অন্যতম সদস্য ও সমাজসেবক প্রসেনজিৎ পোদ্দারের বাড়িতে যায় । শ্রীপোদ্দার জানান, “ওরা যখন এলো শিপনের হাত থেকে অঝোরে রক্ত পড়ছিল । তা আমার ঘরের মেঝেতেও পড়ে । আমি সবার সামনেই দু’জনকেই সামান্য বকাঝকা করে মিটিয়ে দিই । ওরা বাড়িও চলে যায় ।” এব্যাপারে উভয়ই স্থানীয় থানায় পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানিয়েছে । প্রসেনজিৎবাবুর বিরুদ্ধেও মারধরের অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলে সূত্রের খবর । থানাসূত্রে জানা গিয়েছে, তাদের নামে জামিনযোগ্য ধারায় অভিযোগ নেওয়া হয়েছে । এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করে নি । অন্যদিকে, পারিবারিক এই ঘটনাকে অনেকেই রাজনৈতিক রঙ দিতে চাইছে বলে অভিযোগ উঠেছে । এব্যাপারে তৃণমূলের বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গিয়েছে, উভয়ই তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী-সদস্য । বিষয়টা পুরোপুরি ব্যক্তিগত বলেও ওই সূত্রে জানা গিয়েছে ।

















