ঢাই আখর প্রেম পদযাত্রা
দাবদাহ লাইভ, বারাসাত, নীলাদ্রি ভৌমিকঃ শহীদ বিপ্লবী ভগৎ সিংহের জন্মদিবস ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩ থেকে ৩০ জানুয়ারি ২০২৪, মহাত্মা গান্ধীর শহীদ দিবস পর্যন্ত ৪ মাস ব্যাপী ভারতবর্ষ জুড়ে ‘ঢাই আখর প্রেম সাংস্কৃতিক পদযাত্রার’ আহ্বান জানিয়েছে ঐতিহ্যবাহী সংগঠন আইপিটিএ।বর্ণাঢ্য এই সাংস্কৃতিক পদযাত্রার লক্ষ্য হলো জাতীয় জীবনে প্রেম, বন্ধুত্ব, সমতা, ন্যায় এবং মানবতার বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া।বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য রক্ষায় যাঁরা জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাঁদের সম্মান জানানো; বরেণ্য সমাজ সংস্কারক, লেখক, কবি, শিল্পী, সাধকদের জন্মভূমি বা স্মারকস্থল স্পর্শ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সামনে এক নতুন ভারতের স্বপ্ন উপস্থাপন করা। মহান সন্ত কবি কবীরের একটি বিখ্যাত দোহা থেকে ‘ঢাই আখর প্রেম কা’ লাইনটি গৃহিত হয়েছে।দোহার মর্মার্থ হলো- শাস্ত্র বা পুঁথিগত বিদ্যায় কেউ জ্ঞানী হয় না।আড়াই অক্ষরের প্রেম শব্দটিকে যিনি আত্মস্থ করেছেন, তিনিই প্রকৃত জ্ঞানী। বিভেদপন্থীরা ভারতবর্ষ জুড়ে যে বিদ্বেষের বীজ বপন করে চলেছে, তার বিরুদ্ধে এই প্রেম ও ঐক্যের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া সময়ের সব থেকে বড় দাবি।সমস্ত প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন এবং লেখক শিল্পীদের আইপিটিএ আহ্বান জানিয়েছে- গান কবিতা নাটকের মধ্য দিয়ে জাঠায় নিজেদের সাংস্কৃতিক অভিব্যক্তি তুলে ধরার জন্য। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে চিরকাল বাংলা থেকেছে অগ্রণী।দিয়েছে নেতৃত্ব।অতীশ দীপংকর থেকে চৈতন্য, চণ্ডীদাস থেকে রবীন্দ্রনাথ, লালন থেকে বিজয়, মাইকেল থেকে নজরুল- আরও কত শত কন্ঠে বারংবার উচ্চারিত হয়েছে প্রেম, সাম্য, ন্যায় ও সংহতির বার্তা।তাঁদেরই পদাঙ্ক অনুসরণ করে সম্মিলিত যাত্রায় আমরা অংশগ্রহণ করবো। আসুন, এই জাঠাকে আমরা শক্তি, সহানুভূতি, সম্প্রীতি ও শান্তি কামনায় উৎসর্গ করি। হিংসা এবং বিদ্বেষকে পরাস্ত করে ভালোবাসার জয় পতাকা ওড়াই। উত্তর চব্বিশ পরগণা জেলাগত কর্মসূচি আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ৩১ ডিসেম্বর । ৩১ ডিসেম্বর বারাসাত শহর জুড়ে সমমনস্ক অনেক সংগঠন মিলে যৌথভাবে জেলাগত কেন্দ্রীয় জাঠা। সেই জাঠার প্রচার কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে সূচনা অনুষ্ঠান বারাসাত ছোট বাজারে গান্ধিমূর্তির পাদদেশ। সেখান থেকে মিছিল করে বসুবাড়ির মসজিদ প্রাঙ্গণ।

















