দাসপাড়া অ্যাথলেটিক ক্লাবের শ্যামা পূজা
দাবদাহ লাইভ, ব্যারাকপুর, ক্যামেরায় সৌমজিৎ আদক ও রিপোর্টার শ্যামল করঃ ঠিক যেন উত্তর ২৪ পরগনার জেলা শহর বারাসাত আর সকলেই জানে শ্যামা পূজা মানেই বারাসাত। কিন্তু তা নয় বারাসাত এবং বারাকপুর পরস্পর অঙ্গাঙ্গি ভাবে যুক্ত সরাসরি বারাসাত টাউন থেকে বারাকপুর টাউন একই বাসে যাওয়া আসা করা হয়। বারাসাতের মতোই উপচে পড়া ভিড় বারাকপুর চিড়িয়া মোড় থেকে শুরু করে একদম বারাকপুর সদর বাজার থেকে শুরু হলো সেই জনসমুদ্রের ভিড়ে ঠাসা শ্যামা পূজার উৎসব প্রাঙ্গন গুলো। বড় বড় দীর্ঘ লাইন পুলিশ প্রশাসন এবং ভলেন্টিয়ারদের সহযোগিতায় সুন্দরভাবে পরিচালিত হচ্ছে শ্যামা পূজার উৎসবমুখর দিনগুলো। মনিরামপুর মহাদেবানন্দ কলেজ পার হয়ে খানিকটা এগুলোই বাঁদিকে দাসপাড়া অ্যাথলেটিক ক্লাব। আর এই ক্লাবে চলছে দীর্ঘ পাঁচ দিনব্যাপী বৃহৎ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দুষ্টুদের সাহায্য ইস্কুলের ছেলেমেয়েদের বই সামগ্রী প্রদান শুধু তাই নয় তার চেয়ে প্রত্যেক সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যা এলাকাবাসী টিভির পর্দায় সিনেমার পর্দায় দেখে থাকেন সেই সব দৃশ্যগুলো তারা স্বচক্ষে উপভোগ করছেন এই দাসপাড়া এথলেটিক ক্লাব প্রাঙ্গণে। শ্যামা পূজার মন্ডপে মোমবাতি প্রজ্জলন করেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং, সঙ্গে ছিলেন ক্লাব সভাপতি বিবেক সিং এবং সম্পাদক স্বপন দাস সহ অন্যান্য ব্যক্তিবর্গগণ। প্রদীপ প্রজননের পর তিনি মঞ্চে যান এবং সেখানে তার বক্তব্য পেশ করেন এবং সকলে তাকে ব্যাচ উত্তরীয় দিয়ে সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন। অর্জুন সিং ক্লাব কর্তৃপক্ষ কে উৎসাহ দেন ওসি প্রশংসা করেন তাঁদের এই কর্মকাণ্ডের জন্য। এরপর শুরু হয় সান্ধ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠানে র মূল পর্ব শুরু হয় চন্দন সাহা এবং পিংকি পাল । তাঁদের ডান্স মধ্য দিয়ে, সনি এন্টারটেইনমেন্ট এর জি বাংলা খ্যাত ৪৪ জন ছাত্রছাত্রীর মধ্যে ১৪ জন ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতিতে গোল্ডেন গার্লস এর উপস্থাপনায় বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক এবং বিচিত্রা অনুষ্ঠান উপস্থাপিত হয় দাসপাড়া অ্যাটলেটিক ক্লাব শ্যামা পূজার প্রাঙ্গণের মুক্তমঞ্চে। মোট ইভেন্ট ছিল 32 টি ইভেন্টের মধ্যে ছিল বিভিন্ন নৃত্য যার পরিচালনা ছিলেন তিনটি পাল কোরিওগ্রাফার এবং প্রধান শিক্ষিকা। তিনি জানেন বোম্বের সনি এন্টারটেইনমেন্ট আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠান indian got talent এ তাঁরা যোগদান করেছিলেন, এবং সেখানে ফাইনাল রানার্স আপ হয়েছিলেন তাঁদের দল। এই গোল্ডেন গার্লস এর প্রধান উদ্যোক্তা এবং কোরিওগ্রাফার দুজন হলেন মিঠুন সাহা এবং মন্ডল। এছাড়াও চন্দন সাহার সহযোগিতায় কলকাতার এবং উত্তর ২৪ পরগনা নদীয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠান। প্রত্যেকের পারফরমেন্স ছিল ছিলো অসাধারণ, তন্মধ্যে পৃথ্বীশ পাল সপ্তম শ্রেণীর ছাত্র এবং প্রিয়স্মিতা কর শিশু শিল্পী পুরো স্টেজ রেখেছিল। পরপর বাংলা এবং হিন্দির নৃত্য পরিবেশন করেছিলেন প্রধান শিক্ষিকা পিংকি পাল। এই বিশাল কর্মকাণ্ডের সঙ্গে একাত্মভাবে জড়িয়ে ছিলেন এবং যাদের সহযোগিতা ছিল তন্মধ্যে, ক্লাবের সভাপতি বিবেক সিং, স্বপন দাস সেক্রেটারি, গৌতম ব্যানার্জি সহ-সভাপতি, সনৎ কুমার রায়, রঘুনাথ চ্যাটার্জি, চুনিলাল ঘোষ, গৌতম ঘোষ, সুখেন দাস, সি এল ঘোষ ছাড়াও ছিলেন আরো বহু ব্যক্তিত্ব বর্গ। বিবেক সিং সভাপতি জানান দাসপাড়া অথেন্টিক ক্লাবের এই সাঙ্গা পুজো এ বছর ২০২৩-এ ১১১ বছরে পদার্পণ করলো। ক্লাবের সভাপতি বিবেক সিং সংবর্ধনা তুলে দিচ্ছেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং কে।













