ভোটের জন্য প্রচারে নেমেছেন অভিষেক
দাবদাহ লাইভ, ডায়মন্ডহারবার, সুমিত মজুমদারঃ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের ফলতা ফতেপুর স্কুল মাঠে বস্ত্র বিতরণী অনুষ্ঠানে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কিছুটা কটাক্ষের সুরে এই কেন্দ্রে ভোটে দাঁড়ানোর জন্য আইএসএফ প্রার্থী নওসাদ সিদ্দিকীকে স্বাগত জানালেন। গণতান্ত্রিক দেশে এটাই নিয়ম বলেও জানালেন। উল্লেখ্য, আই এস এফের নওশাদ সিদ্দিকীর এই কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার ঘটনাকে কোন মতে ছোট করে অভিষেক দেখছেন না। বরং নিবেদন রেখেছেন। পাশাপাশি অভিষেক বুঝতে পেরেছেন এই কেন্দ্রের প্রায় ৫৩ শতাংশ সংখ্যালঘু ভোটের কথা মাথায় রেখে নওশাদ সিদ্দিকী ভোটে দাঁড়াচ্ছেন তা তিনি আন্দাজ করে নিয়েছেন। সেই কারণে সংখ্যালঘু মানুষদেরকে তিনি বোঝানোর চেষ্টা করছেন গত ৯ বছরের সাংসদ হিসেবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যে উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন তা কোনো ভারতবর্ষের সাংসদ করে দেখাতে পারিনি। এই চ্যালেঞ্জ তিনি ফতেপুরের মঞ্চ থেকে ছুঁড়ে দিয়েছেন। ফলতা ও মথুরাপুর জল প্রকল্পে প্রায় ১৪০০ কোটি টাকা খরচ করে প্রতিটি ব্লকের বাড়িতে বাড়িতে আগামী তিন মাসের মধ্যে জল পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দিলেন। এছাড়াও গ্রামীণ রাস্তাঘাটগুলোকে রাস্তাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে ৬০০ কোটি টাকা খরচ করে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন । এছাড়াও ডায়মন্ডহারবার লোকসভা কেন্দ্রে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমুখী প্রকল্প প্রায় প্রতিটি বাড়িতে পৌঁছে গেছে সেই বিষয়গুলো তিনি তুলে ধরেছেন। সুতরাং আগামী লোকসভা নির্বাচনে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রে অর্থের বিনিময়ে বিরোধীরা যে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চলেছে, সে বিষয়ে ডায়মন্ডহারবার বাসীদেরকে সতর্ক করলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে নওশাদ সিদ্দিকি যেহেতু সংখ্যালঘু ভোটব্যাংকের একটি আবেগ তাই এখানে নওশাদ সিদ্দিকী তথা আইএসএফ প্রার্থী কিছুটা ধ্বস নামাতে সক্ষম হবেন। সেদিকে খেয়াল রেখে ইতিমধ্যে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী সমর্থক থেকে সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে দেখার বিষয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নমূলক কাজের বিপরীতে আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকী যদি ভোটে দাঁড়ান সংখ্যালঘু ভোট কতটা ফ্যাক্টর হতে পারে, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে লোকসভা ভোটে ফলাফলের উপর।

















