আদালতের নির্দেশে বসিরহাটে বিজেপির মনোনয়ন
দাবদাহ লাইভ, বসিরহাট, হরিগোপাল দত্তঃ পঞ্চায়েত ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা হতেই মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজা লেগেই ছিল। রাজ্যের একাধিক স্থানে তৃণমূলের সঙ্গে কখনো সিপিএম কখনো আইএসএফ বা কখনো বিজেপির মনোনয়ন জমা দেওয়া নিয়ে বচসা ও গন্ডগোলেরও সৃষ্টি হয়। যার জেরে ব্যাঘাত ঘটে মনোনয়ন প্রক্রিয়ায়। বসিরহাটেও একাধিক জায়গায় মনোনয়ন জমা দিতে না পেরে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল বিজেপি। সেই আর্জি মতো হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা রায় দেন, যে সমস্ত প্রার্থী শুক্রবার বিকাল চারটের মধ্যে বসিরহাট মহকুমা শাসকের দপ্তরে গিয়ে মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন, তাদের মনোনয়ন জমা নিতে হবে কমিশনকে। বসিরহাটের সন্দেশখালি ১ ও ২ নং, হাড়োয়া ও মিনাখাঁর প্রার্থীরা এই মনোনয়ন জমা দিতে পারবেন। এই রায় জানার পরেই শুক্রবার দুপুরে একে একে বিজেপি প্রার্থীরা বসিরহাট মহকুমা শাসকের ইভিএম ওয়্যার হাউসে মনোনয়ন জমা দিতে আসেন। বসিরহাট পুলিশ জেলা পুলিশ সুপারকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সমস্ত প্রক্রিয়া যেন তিনি তার নজরদারিতে রাখেন। তার জন্য মহকুমা শাসকের দপ্তরের চত্বরে মোতায়ন করা হয় পুলিশ বাহিনী ওর র্যাফ। পাশাপাশি ওই চত্বরে নজরদারি চালানোর জন্য ভিডিও ক্যামেরারারও ব্যবস্থা করা হয়। বিজেপি প্রার্থীরা জানান, তাদের এলাকায় সন্ত্রাস হওয়ার ফলে তারা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। অন্যদিকে বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তাপস ঘোষ জানান, একাধিক জায়গায় আমাদের প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি। পাশাপাশি তিনি পুলিশে নিষ্ক্রিয়তারও অভিযোগ করেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার যুব সভাপতি শমীক রায় অধিকারী বিজেপিকে কটাক্ষ করে বলেন, “ভারতীয় জনতা পার্টি মাঠে ময়দানে মানুষের সাথে থাকে না। তারা সব সময় আদালত, ইডি ও সিবিআই এর কাছে যায়। তারা নিজেরাই প্রার্থী বাছতে পারছেন না, যার ফলেই মনোনয়নে অসুবিধার সৃষ্টি হয়েছে। বিজেপির সংগঠনের যা অবস্থা তা একপ্রকার প্রহসনে পরিণত হয়েছে।”









