পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণা হতেই ময়নায় উত্তপ্ত
দাবদাহ লাইভ, ময়না, অক্ষয় গুছাইতঃ সম্প্রতি বিজেপি নেতা খুনে উত্তপ্ত হয়েছিল পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না। সেই ঘটনার কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই আবারও উত্তপ্ত হল ময়না। তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষে আহত দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন। এলাকায় পৌঁছয় ময়না থানার পুলিশ। সূত্রের খবর, ময়না থানার পরমানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত হরিদাসপুর গ্রামে পাখিরা পাড়ায় তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে তা সংঘর্ষের রূপ নেয়। দু’পক্ষের বেশ কয়েকজন গড় ময়না ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তিও হয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এলাকায় উত্তেজনা ও এই গণ্ডগোলের জন্য বিজেপি ও তৃণমূল দু’জন দু’জনের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলেছে। বুধবার সংশ্লিষ্ট ওই এলাকায় তৃণমূলের একটি মিটিং হয়েছিল। অভিযোগ, মিটিং-এর পরেরদিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঢালাই রাস্তার উপর বেড়া দিয়ে তারা অবরোধ সৃষ্টি করে। আর বেড়া থাকার কারণে তৃণমূলের লোকজন অসুবিধায় পড়ছিলেন। পরে এলাকার সিভিক ভলান্টিয়র এসে সেই বেড়া তুলে দেয়। কিন্তু দুপুর তিনটে নাগাদ উভয় পক্ষ গণ্ডগোল ও মারামারিতে লিপ্ত হয়ে পড়ে। যার জেরে দু’পক্ষরই বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। বিগত দিনে এই এলাকা ছিল তৃণমূলের দখলে। কিন্তু গত বেশ কয়েক মাস আগে এই এলাকায় কয়েকটি পরিবার একত্রিত হয়ে বিজেপিতে যোগদান করে । যার জেরে আরও বাধে গণ্ডগোল। এরপরে দুই রাজনৈতিক দলের সমর্থকরা চড়াও হন একে অন্যের উপর বলে অভিযোগ। এমনকী আহতরা যখন হাসপাতালে ভর্ত হন সেই সময় হাসপাতাল চত্বরেও দুইপক্ষ বচসায় জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ। শুরু হয় দুই রাজনৈতিক দলের কথা কাটাকাটি।সংঘর্ষের খবর পেয়ে এলাকায় পৌঁছয় ময়না থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। আহতরা ভর্তি ময়না ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। দুই পরিবারের বিবাদ এখন তৃণমূল ও বিজেপির রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ এ পরিণত হয়েছে। এই বিষয়ে ময়না পঞ্চায়েত সমিতির মত্স্য কর্মাধক্ষ সুদর্শন জানা বলেন,“অভিযুক্তদের গ্রেফতার করতে হবে। দিনের পর দিন ওরা আমাদের মারধর করে। লোককে গালি দিচ্ছে। তৃণমূলের থেকে সুবিধা নেবে আবার অশান্তি করছে। দোষীদের শাস্তি না দিলে আন্দোলনে নামব।” অপরদিকে বিজেপি বিধায়ক অশোক দিন্দা বলেন, কালকে সুদর্শন জানারা উস্কানিমূলক বার্তা দিচ্ছিলেন তৃণমূল নেতারা। গালিগালাজ করছিলেন। খুন করে দেব, পা ভেঙে দেব এই সব বলছিলেন। এরপর বিজেপি কর্মীদের বঁটি দিয়ে হাত কেটে দেয়। তখনই শুরু হয় ঝামেলা।








