২০টি সোনার বিস্কুট সহ ধৃত পাচারকারী
দাবদাহ লাইভ, বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ সূত্রের খবর অনুযায়ী হানা দিয়ে সোনার বিস্কুট সহ এক ব্যাক্তিকে হাতেনাতে আটক করে হাবরা থানার পুলিশ। উদ্ধার হয় ২০ টি সোনার বিস্কুট। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার হাবরা থানার অন্তর্গত নগর উখড়া মোড় এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় “সোনার বিস্কুট পাচার হতে চলেছে” মঙ্গলবার সূত্র মারফত এমনই খবর আসে হাবরা থানায়। এরপর সূত্র অনুযায়ী এদিন দুপুরে নগর উখড়া মোড় এলাকায় অভিযান চালায় হাবরা থানার পুলিশ। সেখানে একটি ব্যাগ হাতে নিয়ে দাঁড়িয়েছিল অরুন পোদ্দার নামে এক ব্যাক্তি। ওই ব্যাক্তিকে দেখে সন্দেহ হওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। অরুনের কথায় অসঙ্গতি ধরা পড়লে তাকে আটক করে তল্লাশি চালায় পুলিশ। তল্লাশি চালিয়ে তার কাছে থাকা ব্যাগ থেকে উদ্ধার হয় ২০ টি সোনার বিস্কুট। এরপরই গাইঘাটার বেড়ি পাঁচপোতা এলাকার বাসিন্দা অরুন পোদ্দারকে গ্রেফতার করে হাবরা থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। উদ্ধারকৃত সোনার বিস্কুটের মোট ওজন ২ কেজি ৩৬৫ গ্রাম, যার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক ১ কোটি ৪৬ লক্ষ ৬৯ হাজার ২০০ টাকা বলে জানায় পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে বাংলাদেশ থেকে আসা ওই বিস্কুট একাধিক হাত বদল হয়ে ধৃত অরুনের কাছে পৌঁছায়। হাবরা থেকে এদিন বাস মারফত ধর্মতলায় অন্য এক ব্যাক্তির কাছে বিস্কুটগুলো পৌঁছে দেবার কথা ছিল তার। কিন্তু শেষ রক্ষা তার হয় না, পুলিশের জালে আটকে পড়ে সে। পুলিশ এও জানায় ধৃত হুগলি জেলার ব্যান্ডেল এলাকার বাসিন্দা হলেও ৫ বছর যাবত গাইঘাটা থানার বেড়ি পাঁচপোতা এলাকায় নিজের তৈরি করা বাড়িতে বসবাস করছিল সে। ধৃত পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী। মাছ ব্যবসার আড়ালে দীর্ঘদিন যাবত সে সোনার বিস্কুট পাচারের কাজও করতো। ধৃতের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করার পাশাপাশি পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বুধবার ধৃতকে বারাসাত মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক। ধৃত কতদিন যাবত ওইরূপ পাচার কার্যের সাথে যুক্ত, কেনই বা ওই পাচার চক্রের সাথে যুক্ত হয়েছে, সোনা পাচার করে কত টাকা উপার্জন করে সে, বাংলাদেশ থেকে ওই সোনার বিস্কুট কিভাবে তার কাছে এসেছে, ওই পাচার চক্রের সাথে আর কে বা কারা, কিভাবে যুক্ত, পাচার চক্রের মুল পান্ডাই বা কে, উঠে এসেছে এমনই নানান প্রশ্ন। তদন্ত সাপেক্ষে সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পাওয়া সম্ভব হবে বলে জানায় হাবরা থানার পুলিশ। এখন দেখার অপেক্ষা তদন্ত ঠিক কোন দিকে এগোয়।








