স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তিতে জাতীয় পতাকার অবমাননা বেড়াচাঁপায়
দাবদাহ লাইভ, বারাসাত, বৈশাখী সাহাঃ বীর বিপ্লবীদের প্রবল যুদ্ধের পর ১৯৪৭ সালের ১৫ই আগষ্ট ব্রিটিশদের কবল থেকে মুক্ত হয় ভারতবর্ষ। তাই প্রতি বছর ১৫ই আগষ্ট দিনটিকে ভারতবাসীরা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে সাড়ম্বরে পালন করে। এদিন জাতি ধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সারা ভারতবর্ষ জুড়ে তেরঙ্গা পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে বীর বিপ্লবীদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও বীর বিপ্লবীদের শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের মাধ্যমে দেশজুড়ে স্বাধীনতার ৭৫তম বর্ষপূর্তি উদযাপন করার চিত্র ধরা পড়ার পাশাপাশি জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার চিত্রও ধরা পড়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার দেগঙ্গা থানার অন্তর্গত মির্জানগর এলাকায় অবস্থিত বেড়াচাঁপা-১ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের গেটের সামনে জাতীয় পতাকাকে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা যায়। এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে পড়ে ব্যপক শোরগোল। চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে মির্জানগর এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এদিন সকালে বেড়াচাঁপা-১ গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ঢাক ঢোল পিটিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সন্ধ্যার পূর্বেই সেই পতাকা খুলে ফেলা হলে শুরু হয় গোলযোগ। সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত নামতেই পঞ্চায়েত অফিসের সামনে সেই তেরঙ্গা পতাকাটিকে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা। এ নিয়ে জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করার অভিযোগ ওঠে বেড়াচাঁপা পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে ওঠে নিন্দার ঝড়। এরূপ ঘটনায় শাসকদলকে তীব্র ভাষায় কটাক্ষ করে বিজেপি। বিরোধীদের করা অভিযোগকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে জানানো হয় যে এদিন তাদের পক্ষ থেকে জাতীয় পতাকার কোনোরূপ অবমাননা করা হয়নি। সকালে পতাকা উত্তোলন করার পর সরকারী নির্দেশ অনুযায়ী পতাকার পাশে জ্বালানো হয়েছিল আলো। দমকা হাওয়ার কারনেই পতাকাটি নীচে পড়ে যায়। আর সেই কারনেই পতাকাটিকে খুলে পঞ্চায়েত দপ্তরে রেখে দেওয়া হয়। স্বাধীনতার ৭৫ তম বর্ষপূর্তির দিন জাতীয় পতাকার অবমাননার বিষয়টি ভারতীয় নাগরিকদের কাছে অত্যন্ত নিন্দনীয় ও দুঃখজনক বলে জানায় এলাকার ওয়াকিবহাল মহলও।



































