Banner Top

সুশান্তের প্রচেষ্টায় জামিন পেলেন নেতাই কান্ডের অভিযুক্ত ফুল্লরা

দাবদাহ লাইভ, মেদিনীপুর, অক্ষয় গুছাইতঃ বাম জামানার কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দেয় ২০১১ সালের নেতাই গণহত্যা। ৭ জানুয়ারির সেই গণহত্যা।   যা নিয়ে পরবর্তীকালেও বারবার সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সিপিএম নেতৃত্বকে। ২০১৩ সালে নেতাই কাণ্ডের তদন্তভার পায় সিবিআই। পরবর্তীকালে তারা লালগড়ের পরিচিত সিপিএম নেত্রী ফুল্লরা মণ্ডল সহ ২০ জন সিপিএম কর্মী সমর্থকের নামে চার্জশিট পেশ করে আদালতে। সেই মামলাতেই এবার সুপ্রিম কোর্ট থেকে জামিন পেলেন ফুল্লরা মণ্ডল। সিপিএম নেতা রথীন দণ্ডপাটের বাড়ি থেকে সেদিন নেতাই-এ গুলি চালানো হয়েছিল বলে বিরোধীদের অভিযোগ। এই ঘটনার পর জনগণের রোষ আছড়ে পড়ে অনুজ পাণ্ডে, ডালিম পান্ডে সহ লালগড়ের সিপিএম নেতা-কর্মীদের একাংশের উপর। সেই সময় অনেক সিপিএম নেতার বাড়িঘর ভেঙেচুরে তছনছ করে দেওয়া হয়। রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর ধীরে ধীরে নেতাই কাণ্ডে অভিযুক্ত দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ানো শুরু করে সিপিএম। জেলার নেতারাও খুব একটা খোঁজ নিতেন না বলে অভিযোগ। তাই জেলবন্দী সিপিএম নেতাকর্মীরা আর্থিক দুরব্যবস্থার কারণে ঠিকঠাক করে আইনজীবীও দাঁড় করাতে পারেন নি আদালতে। কিন্তু চলতি বছরের জেলা সম্মেলনের পর সুশান্ত ঘোষ পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলা সম্পাদক হন। এরপরই ঘটনা প্রবাহ উল্টো স্রোতে বইতে শুরু করে। এমনিতেই সিপিএমের অন্দরে মনে করা হয়, পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রামের মতো জেলায় শাসক তৃণমূলের ব্যাপক আক্রমণের মুখে নেতারা পাশে দাঁড়ান নি। তাই প্রাণ বাঁচাতে নিচু তলার সিপিএম কর্মীরা বিজেপিতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের হাল ফেরাতে সুশান্ত ঘোষ গোটা জেলা পার্টিকে নিয়ে আবার কোণঠাসা, আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে শুরু করেন। নেতাই কাণ্ডে অভিযুক্তদের জন্য আইনজীবীর ব্যবস্থাও করেন তিনি। আদালতে জামিন হলেও টাকার অভাবে জেলের বাইরে বেরোতে পারছিলেন না দুই সিপিএম কর্মী। এই অবস্থায় কর্মীদের নিয়ে রাস্তায় নেমে নগদ এক লক্ষ টাকা সংগ্রহ করে তাঁদের জামিনের ব্যবস্থা করেন সুশান্ত ঘোষ। নেতাই কাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত ফুল্লরা মণ্ডলের জন্য আইনজীবীর ব্যবস্থা করেছিলেন সুশান্ত। এই নেত্রী এখনও সিপিএমের জেলা কমিটির সদস্য। সোমবার সুপ্রিম কোর্ট ফুল্লরা মণ্ডলের জামিন মঞ্জুর করেছে। আগামী দু-একদিনের মধ্যেই তিনি মেদিনীপুর কেন্দ্রীয় সংশোধনাগার থেকে ছাড়া পাবেন বলে সূত্র মারফৎ জানা যায়। 

জেলার আরও খবর

ব্যাঙ্কের কাউন্টারে সাপ পরিষেবা ব্যাহত

ব্যাঙ্কের কাউন্টারে সাপ পরিষেবা ব্যাহত 

   

ব্যাঙ্কের কাউন্টারে সাপ পরিষেবা ব্যাহত

           দাবদাহ লাইভ, শিলিগুড়ি, সজল দাশগুপ্তঃ  ব‍্যাঙ্ক কাউন্টারে‌র ভেতরে ঢুকে পড়ল বিশালাকার একটি সাপ। সাপের আতঙ্কে দীর্ঘক্ষণ ধরে বন্ধ ছিল জলপাইগুড়ি একটি সরকারি ব‍্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র। জলপাইগুড়ি সরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ চত্বরে থাকা এসবিআই গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে‌র কাউন্টারের ভেতরে ঢুকে বসেছিল বিশাল আকৃতির সাপটি । ওই সাপ দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন ব‍্যাঙ্কে‌র কর্মী ও গ্রাহকরা। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয়, পরিবেশ প্রেমীদের। ব‍্যাঙ্কে‌র কাউন্টার ভেঙে সাপটিকে সুরক্ষিতভাবে বের করে পার্শ্ববর্তী জঙ্গল এলাকায় ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান পরিবেশপ্রেমী বিশ্বজিৎ দত্ত চৌধুরী। ব‍্যাঙ্কে‌র কর্মী সুব্রত ভৌমিক বলেন, তারা ব‍্যাঙ্কে‌র কাস্টমার সার্ভিসের কাউন্টারে কাজ করার সময় আচমকাই সাপটিকে দেখতে পান। বিশাল আকৃতির সাপটি কাউন্টারের ভেতরে গুটি মেরে বসে ছিল। পরিবেশ প্রেমী বিশ্বজিৎ দত্ত চৌধুরি এসে সাপটিকে উদ্ধার করেন।

দক্ষিণ ২৪ পরগণা

কাশিপুরে মাছ চুরি সন্দেহে গণধোলাই চিকিৎসাধীনে মৃত

কাশিপুরে মাছ চুরি সন্দেহে গণধোলাই চিকিৎসাধীনে মৃত   

 

কাশিপুরে মাছ চুরি সন্দেহে গণধোলাই চিকিৎসাধীনে মৃত

          দাবদাহ লাইভ, বসিরহাট, বৈশাখী সাহাঃ রাতের অন্ধকারে এক মেছো ভেড়িতে মাছ চুরি করতে যাওয়ার সন্দেহে এক ব্যাক্তিকে বেধড়ক মারধর করায় গুরুতর জখম হয় ওই ব্যাক্তি। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর জখম ওই ব্যাক্তিকে উদ্ধার করে আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যায়। দীর্ঘ ১৬ ঘন্টা চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু হয় তাঁর। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার কাশিপুর থানার অন্তর্গত চন্ডীহাট গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় হাড়োয়া থানা এলাকার বাসিন্দা বছর ৫০ এর এক ব্যাক্তিকে শনিবার রাতে কাশিপুর থানার অন্তর্গত চন্ডীহাট গ্রামের একটি মেছো ভেড়িতে দেখতে পাওয়া যায়। ওই ব্যাক্তি এদিন সেখানে মাছ চুরি করার উদ্দেশ্যেই গিয়েছিল, স্থানিয়রা তাঁকে হাতেনাতে ধরে ফেলায় এদিন রাতেই ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী তাঁকে গণধোলাই দেয় বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এলোপাথারি মারধরের ফলে গুরুতর জখম হয় অভিযুক্ত। ওই ঘটনায় এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে ব্যপক চাঞ্চল্য। খবর পেয়ে কাশীপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসীর হাত থেকে ওই ব্যাক্তিকে উদ্ধার করার পাশাপাশি স্থানীয়দের সহযোগিতায় আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্মরত চিকিৎসক তাঁকে কলকাতার আরজিকর হাসপাতালে স্থানান্তরিত করেন। সেখানেই সে চিকিৎসাধীন ছিল। দীর্ঘ ১৬ ঘন্টা মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর রবিবার শেষমেশ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে ওই ব্যাক্তি। দেহটি ময়নাতদন্তের পর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। এখন প্রশ্ন হল ওই ব্যাক্তি সত্যিই কি ওইদিন রাতের অন্ধকারে ওই মেছো ভেড়িতে মাছ চুরি করতে গিয়েছিল, সে কি একাই সেখানে গিয়েছিল নাকি সঙ্গে কেউ ছিল,  পুরোনো কোনো আক্রোশের জেরে তাকে এদিন গণধোলাই দেওয়া হয়নি তো, মেছো ভেড়িতে এদিন তাকে কে বা কারা প্রথম দেখতে পায়, তাঁর কাছে মাছ ধরার সরঞ্জাম ছিল কি, আইনতভাবে গণধোলাই নিষিদ্ধ হওয়া সত্বেও পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি না করে সেক্ষেত্রে শাস্তি স্বরূপ গণধোলাই এর ব্যাবস্থাই বা করা হয় কেন, ওই ব্যাক্তিকে গণধোলাই দেওয়ার নিধানই বা কে দিয়েছিল, কারাই বা ওইরূপ কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত? গণধোলাইয়ের জেরে জখম ব্যাক্তির মৃত্যুকে ঘিরে উঠেছে নানাবিধ প্রশ্ন, ঘনীভূত হয়েছে রহস্য। সমস্ত প্রশ্নের উত্তর পেতে বা রহস্য উদঘাটনে তদন্তে নেমেছে হাড়োয়া ও কাশিপুর থানার পুলিশ। 

জেলার খবর মিনাখাঁ

উদ্ধার লক্ষাধিক টাকার বিদেশি পাখি তদন্তে মিনাখাঁ থানা

উদ্ধার লক্ষাধিক টাকার বিদেশি পাখি তদন্তে মিনাখাঁ থানা

         দাবদাহ লাইভ, বসিরহাট, বৈশাখী সাহাঃ  গভীর রাতে নাকা চেকিং-এর সময় একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় লক্ষাধিক টাকার ৩ ধরনের বিদেশি পাখি। পাখিগুলো উদ্ধারের পাশাপাশি গাড়ির চালককে আটক করে মিনাখাঁ থানার পুলিশ। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার মিনাখাঁ থানার অন্তর্গত মালঞ্চ দক্ষিণ ঘেরি এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় রবিবার গভীর রাতে দক্ষিনঘেরি এলাকায় নাকা চেকিং চালানোর সময় দ্রুতগতিতে আসা একটি গাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৩ ধরনের মোট ২৫ টি বিদেশি পাখি উদ্ধার করা হয়। যার বর্তমান বাজার মূল্য আনুমানিক ২ লক্ষ টাকা। পাখি উদ্ধারের পাশাপাশি গাড়ির চালক মিনাখাঁর চৈতলের বাসিন্দা রফিকুল গাজিকে আটক করে পুলিশ। এরপর রফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে বাংলাদেশের কোন এক এজেন্টের মাধ্যমে পাখিগুলো এদেশে সংগ্রহ করে কলকাতায় বিক্রির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল সে। এরপর রফিকুল গাজিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উদ্ধারকৃত ওই তিন ধরনের ২৫ টি পাখিকে সোমবার মিনাখাঁ বন দপ্তরের হাতে তুলে দেয় মিনাখাঁ থানার পুলিশ। পাশাপাশি বহুমূল্য বিদেশি পাখি পাচারের অভিযোগে ধৃত রফিকুলের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বসিরহাট মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে আবেদন মঞ্জুর করেন বিচারক। ধৃত ওই পাখিগুলোকে কলকাতার কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল, কতদিন যাবত সে ওই পাচারচক্রের সাথে যুক্ত, তার সাথে আর কে বা কারা যুক্ত বিস্তারিত জানতে তদন্ত শুরু করেছে মিনাখাঁ থানার পুলিশ।

 

বসিরহাট - ন্যাজাট

অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য

অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য

                দাবদাহ লাইভ, বসিরহাট, বৈশাখী সাহাঃ  একটি মেছো ভেরি থেকে এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করাকে ঘিরে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য। মৃতদেহটি উদ্ধার করে ন্যাজাট থানার পুলিশ। মঙ্গলবার কলকাতার বাসন্তী  হাইওয়ে সংলগ্ন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বসিরহাট মহকুমার ন্যাজাট থানার অন্তর্গত শিরিষতলা এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় এদিন সকালে শিরিষতলা সংলগ্ন একটি মেছো ভেরিতে স্থানীয়রা এক অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির মৃতদেহ দেখতে পেয়ে ন্যাজাট থানায় খবর দেয়। খবর পাওয়া মাত্রই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মৃতদেহটি উদ্ধার করে মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্মরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এরপর মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠায় ন্যাজাট থানার পুলিশ। একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করেছে পুলিশ। মদ্যপ অবস্থায় ওই স্থান থেকে যাবার সময় আনুমানিক ৩৫ বছরের ওই ব্যক্তি ভেরিতে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের অনুমান। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে বলে জানায় পুলিশ। ইতিমধ্যেই অজ্ঞাত পরিচয় ওই মৃত ব্যক্তির পরিচয় জানার জন্য তদন্তে নেমেছে ন্যাজাট থানার পুলিশ।

সুশান্তের প্রচেষ্টায় জামিন পেলেন নেতাই কান্ডের অভিযুক্ত ফুল্লরা
User Review
0% (0 votes)
Banner Content
Dabadaha is a News Media House under the Brand of Dabadaha Live ( দাবদাহ লাইভ) via Website as WEB NEWS

0 Comments

Leave a Comment