সীট’ দখল মুক্ত করতে পুলিশি অভিযান
দাবদাহ লাইভ, বৈশাখী সাহা,উত্তর ২৪ পরগনাঃ কথায় বলে ‘জোর যার মুলুক তাঁর’। বর্তমানে কথাটা সর্বক্ষেত্রেই বিদ্যমান। ট্রেনে বসার সীট নিয়ে ঝামেলার দৃশ্য প্রায়শই ধরা পড়ে। চেনা পরিচিতির মধ্যে চলে সীট দেওয়া নেওয়ার পর্ব। এখানে বিশেষত বলপূর্বক ট্রেনের সীট দখলের কথাই তুলে ধরা হল। লোকাল ট্রেন গুলিতে প্রায়শই দেখা যায় পরিচিত ব্যাক্তিদের জন্য সীট দখল করে রাখার মত ঘটনা। ব্যাগ, রুমাল, পুরানো টিকিট বা কাগজ দিয়ে সীট দখল করে রাখা হয়। শিশু, বয়স্ক এমনকি অসুস্থ কোনও ব্যাক্তি উঠে যাত্রী বিহীন সীটে বসতে চাইলে নানান উপাচার মিশ্রিত বাক্যবাণে ক্ষতবিক্ষত হয়ে শেষমেশ তাদের দাঁড়িয়ে থেকেই যাত্রা করতে হয়। কেউ বা বাক্ বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়েন। সীটে বসা নিয়ে মারামারির ঘটনায় রক্তপাত হয়ে গুরুতর জখম হওয়ার মতন ঘটনাও ঘটেছে বনগাঁ লোকালে। মহিলা কামরায় সীটে বসা নিয়ে ঝামেলা- এ কোনও নতুন ঘটনা নয়। বুধবার সকালে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার শিয়ালদহ বনগাঁ শাখার হাবরায় ঘটনাটি ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায়, এদিন প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা হাবরা লোকালে চলছিল ঝামেলা। খবর পেয়ে জিআরপিএফ ও আরপিএফ এর কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। জিআরপিএফ সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন যাবত শিয়ালদহ গামী হাবরা লোকালের লেডিস কামরায়, সীটে বসা নিয়ে ঝামেলা হবার অভিযোগ আসছিল। বুধবারও এর অন্যথা হয়নি। এদিন হাবরার ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েছিল ৩৩৬৫২ আপ হাবরা লোকাল। ট্রেনটি সকাল ৬ টা ৩৬ মিনিটে হাবরা ছেড়ে শিয়ালদহ অভিমুখে যাত্রা করে। ওই ট্রেনে নিয়মিত যাতায়াতকারী কিছু যাত্রী নানান জিনিস দিয়ে প্রতিনিনের ন্যায় এদিনও সীট দখল করে রেখেছিল তাদের পরিচিত যাত্রীদের জন্য। ফাঁকা সীট দেখে কিছু অনিয়মিত যাত্রী সীটে রাখা সামগ্রী সরিয়ে বসতে গেলেই শুরু জয় ঝামেলা। যার জেরে প্ল্যাটফর্ম সহ ট্রেনের কামরায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। খবর পাওয়া মাত্রই তড়িঘড়ি আরপিএফ ও জিআরপিএফ এর কর্মকর্তারা সেখানে পৌঁছায়। জোরপূর্বক দখল করে রাখা সীট দখলমুক্ত করে যাত্রীদের বসার ব্যাবস্থা করে দেন। যাত্রীদের উদ্দেশ্যে জিআরপি-র আধিকারিক বলেন, নিয়মিত বা অনিয়মিত – প্রত্যেকেরই ট্রেনের সীটে বসার অধিকার আছে। অনিয়মিত যাত্রীদের বসতে না দিয়ে সীট দখল করে রাখা সম্পূর্ণরূপে বেআইনি। সীট দখলের বিষয়টা অমানবিকতার একটা দৃষ্টান্তও বটে।
নিউজ এক ঝলকে
সীট' দখল মুক্ত করতে পুলিশি অভিযান
97%

















