সনাতনী স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজের স্বাধীনতা দিবস পালন
দাবদাহ লাইভ, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ স্বাধীনতা দিবসে ভাষার স্বাধীনতা ও বিকাশে নিরন্তন কাজ করার অঙ্গীকার সনাতনী স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজের। দেশ যখন ৭৭তম স্বাধীনতা দিবস পালন করছে ঠিক তখনই সনাতনী স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় প্রকৃত অর্থেই পালিত হল নানা ভাষা নানা মত এবং নানা পরিধানের ঐতিহ্য। ভাষা যাতে মনের ভাব প্রকাশের ক্ষেত্রে অন্তরায় না হয়ে দাঁড়ায় সেই লক্ষ্যেই নিরন্তন কাজ করে চলেছে “সনাতনী স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজ”। এই প্রতিষ্ঠানের আহ্বানে তিনটি প্রথিতযশা সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান তালীম মিউজিক অ্যাকাডেমি, নৃত্য মাধুরী এবং রাজশ্রী মিউজিক অ্যাকাডেমি আয়োজন করলো এক অনিন্দ্যসুন্দর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান “মিলে সুর মেরা তুমহারা”। অনুষ্ঠানের স্বাগত ভাষণে প্রধান অতিথি বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবী চন্দ্রচূড় গোস্বামী ১১৫ নম্বর ওয়ার্ডের পৌরমাতা ও ১৩ নম্বর বোরো চেয়ার পারসন শ্রীমতী রত্না শুরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে জানান সনাতনী স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজ এবং দি বৃটিশ ইন্সটিটিউটস-এর কর্মযজ্ঞে মুখ্য উপদেষ্টা হিসেবে শ্রীমতী রত্না দেবী যেভাবে সাহায্য করছেন তা এক কথায় অতুলনীয়। তিনি আরো বলেন ১৫ আগস্ট দিনটি একদিকে যেমন আনন্দের আবার একই সাথে ভারত মায়ের বিভাজন বা খণ্ডিত হয়ে যাওয়া সত্যি খুব যন্ত্রণাদায়ক। সেই সাথে দিনটির তাৎপর্য তুলে ধরতে গিয়ে উনি নীলগঞ্জের আই.এন.এ সৈনিকদের হত্যাকাণ্ড ও নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর সাথে হওয়া চক্রান্তের কথাও উল্লেখ করেন। টাকায় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর মুখ দাবী করার সাথে উনি সেই নাম না জানা সমস্ত শহীদদের প্রণাম জানান যাঁরা দেশের জন্য আত্মবলিদান করেছেন। অনুষ্ঠানে সুমধুর কণ্ঠে উদ্বোধনী সঙ্গীত পরিবেশন করেন বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী দেবশ্রী কাঞ্জিলাল। তালীম মিউজিক অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে প্রাণবন্ত আবৃত্তি পরিবেশন করেন বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী শ্রীমতী প্রণমি ব্যানার্জী এবং শ্রীমতী সংযুক্তা দাশগুপ্ত । তালীম মিউজিক অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে জাতীয়তাবাদী সঙ্গীত পরিবেশন করেন শ্রীমতী শিপ্রা দে এবং নৃত্য পরিবেশন করেন শ্রীমতী মোম চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল নৃত্য মাধুরী ড্যান্স অ্যাকাডেমির কর্ণধার বিশিষ্ট নৃত্য শিল্পী শ্রীমতী শর্মিষ্ঠা দাসের ছাত্র ছাত্রীদের নৃত্য পরিবেশন। রাজশ্রী মিউজিক অ্যাকাডেমির কর্ণধার বিশিষ্ট নৃত্যশিল্পী শ্রীমতী রাজশ্রী ভট্টাচার্য্য এর ছাত্রছাত্রী বৃন্দও নৃত্যকলার মাধ্যমে দর্শকদের মন জিতে নেন। সমগ্র অনুষ্ঠানটি দক্ষতার সাথে পরিচালনা করেন শ্রীমতী শ্রাবণী মুখার্জী এবং দক্ষতার সাথে সঞ্চালনা করেন অন্তরীপ দত্ত। সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বদের মন্তব্য অনুযায়ী রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে উঠে উন্নয়ন, শিক্ষা ও সংস্কৃতির বিকাশে একসাথে কাজ করে এক অনন্য সাধারণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সনাতনী স্কুল অফ ল্যাঙ্গুয়েজের কর্ণধার চন্দ্রচূড় গোস্বামী এবং মুখ্য উপদেষ্টা বিশিষ্ট জনপ্রতিনিধি শ্রীমতী রত্না শুর।

















