শ্রমিক যুবকের কফিনবন্দি দেহ পৌঁছালো গ্রামে
দাবদাহ লাইভ, মালদা, সজল দাশগুপ্তঃ কপালে রয়েছে একাধিক ক্ষত চিহ্ন! তিনদিন পর যুবকের রহস্যময় কফিনবন্দি দেহ পৌঁছাল গ্রামের বাড়িতে! মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। তিনদিন পর শুক্রবার ভিন রাজ্য থেকে যুবকের রহস্যময় কফিনবন্দি দেহ পৌঁছাল গ্রামের বাড়িতে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত ওই যুবকের নাম মহম্মদ সাহিদ আব্বাস ওরফে রয়েল আলি(৩২), বাড়ি মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর থানার রশিদাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের ভক্তিপুর গ্রামে। প্রায় মাস খানেক আগে স্থানীয় এক ঠিকাদারের মারফতে ভিন রাজ্য হরিয়ানার আমবালা এলাকায় বিল্ডিং নির্মাণে ফোরম্যান এর কাজ করতে যায়। বুধবার সকালে আমবালা এলাকার এক কক্ষ থেকে তার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে যুবকের গলায় কোনোকিছুর চিহ্ন দেখা না গেলেও কপালে ও মুখে একাধিক ক্ষত চিহ্ন রয়েছে। এতে পরিবারের লোকেদের অনুমান তাকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে খুন করা হয়েছে। মৃত্যুর কারণ নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পোস্টমর্টেম রিপোর্ট আসলেই আসল সত্য জানা যাবে বলে জানান আম্বালা থানার পুলিশ। আরো জানা যা, রয়েল আলি দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে এই বিল্ডিং নির্মাণ লাইনে ফোরম্যান হিসেবে কাজ করতো। মঙ্গলবার রাত সাড়ে নয়টা নাগাদ স্ত্রীর সঙ্গে ফোনে অর্ধেক ঘন্টা কথা বলেন রয়েল। এরপর বুধবার সকালে যুবকের রহস্যঘেরা মৃত্যুর খবর শুনতে পায় পরিবারের লোকেরা। স্থানীয় ঠিকাদারের মারফতে জানতে পারেন কোমরের বেল্ট দিয়ে জানালার রডের সঙ্গে নিজেকে পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে রয়েল। তবে তার পরিবার আত্মহত্যার কথা মানতে নারাজ। কেউ বা কারা তাকে মেরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছে। রয়েলের পরিবারে এক নাবালক ছেলে ও এক নাবালিকা মেয়ে রয়েছে। কিভাবে তাদেরকে লালনপালন করবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন স্ত্রী রুনা পারভিন।








