শিক্ষিকার দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য নন্দীগ্রামে
দাবদাহ লাইভ, নন্দীগ্রাম, অক্ষয় গুছাইতঃ এক শিক্ষিকার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র কেন্দ্র করে জল্পনা ছড়ালো পুর্ব মেদিনীপুর জেলার নন্দীগ্রামে।বেআইনী ভাবে চাকরি পেয়েছিলেন ওই শিক্ষিকা। এমনকী তাঁর নাম ছিল স্কুল সার্ভিস কমিশনের অযোগ্য প্রার্থীদের তালিকায়। সেই অপমানেই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলে মনে করছেন পাড়া প্রতিবেশী থেকে পরিবারের সদস্যরা। মৃতা শিক্ষিকার নাম টুম্পারানি মণ্ডল। দেবীপুর মিলন বিদ্যাপীঠের বাংলার শিক্ষিকা ছিলেন তিনি। রবিবার সন্ধেয় চণ্ডীপুর থানার সরিপুর গ্রামের ভাড়াবাড়ি থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে গেলে চিকিত্সকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। টুম্পারানির বাপের বাড়ি চণ্ডীপুরের বুরুন্দা গ্রামে। ২০১৪ সালে ডিহি কাশিমপুর গ্রামের সুবীর বড়ুয়ার সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। ওই দম্পতি চণ্ডীপুর বাজার সংলগ্ন সরিপুর গ্রামে একটি বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। মৃতার এক আত্মীয় জানান, নবম-দশমের স্কুল শিক্ষকদের তথ্য যাচাই সংক্রান্ত একটি তালিকা কয়েক দিন আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেই তালিকায় টুম্পারানির নাম ছিল। তার জেরে তিনি মানসিকভাবে অবসাদগ্রস্ত হয়ে পড়েছিলেন। শনিবার স্কুলেও যাননি তিনি। তারপর রবিবার সন্ধেয় এই ঘটনা। বিকেলে সুবীর চণ্ডীপুর বাজারে চা খেতে গিয়েছিলেন। তাঁর স্ত্রী টুম্পারানি বাড়িতে একাই ছিলেন। সন্ধেয় সুবীর বাড়ি ফিরে ডাকাডাকি করেও স্ত্রীর সাড়া পাননি। পরে ঘরের মধ্যে তাঁর দেহ ঝুলতে দেখেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, ২০১৬ সালের স্কুল সার্ভিস কমিশনের বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে নবম-দশম শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগে টুম্পারানি মণ্ডল নামে ওই মহিলা চাকরি পেয়েছিলেন। ২০১৯ সালে নন্দীগ্রামের ওই হাইস্কুলে তিনি শিক্ষিকা পদে যোগ দেন। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চণ্ডীপুর থানার পুলিশ।








