মেঘ ঘুরতেই আলোর উৎসবে মাতলো শিলিগুড়ি
দাবদাহ লাইভ, শিলিগুড়ি, সজল দাশগুপ্তঃ যে আশঙ্কা নিয়ে মানুষ ভয় পাচ্ছিল সেই মেঘলা আবহাওয়া এবং ঠাণ্ডা হাওয়া ছাড়া সবকিছুই মনে হচ্ছিল যে মায়ের আর্শীবাদ। মানুষ মনের খুশীতে বাইরে বেরিয়েছে পরিবারের লোকজন এবং বন্ধুদের নিয়ে। খাওয়া দাওয়া করেছে এবং প্রতিমা দর্শনও করেছে। এবারে মানুষের মনে একটাই আশঙ্কা দানা বাধছিল যে দুবছর পরে পূজোর আনন্দ যেন কোনভাবেই মাটি না হয়ে যায়। মা কালীর আর্শীবাদ নিয়ে ভক্তরা ভালই পূজো উপভোগ করলেন। অন্যদিকে আজ গ্রহন থাকায় অনেক পূজোই তাড়াতাড়ি শুরু করে দেওয়া হয় এবং প্রসাদ বিতরনও যত তাড়াতাড়ি সম্ভব শুরু করে দেওয়া হয়। আর সকাল ছটার থেকেই মন্দিরের সামনে প্রসাদ নিতে ভীড় করেছেন সাধারন মানুষ। বাদ যান নি উচ্চবিত্তরাও খিচুড়ি এমন একটি খাবার যার টানে দুর দুরান্ত থেকে ছুটে আসেন মানুষ। গভীর রাতে পূজো শেষ হয়ে যাবার পরে আর দেরী করেন নি উদ্যেক্তারা। মানুষ বেরিয়েছেন প্রসাদ খেয়েছেন এবং বাইরের খাওয়া দাওয়াও করেছেন। এবারে দেখার মত ভীড় ছিল মন্দিরগুলিতেও।শিলিগুড়ির বিখ্যাত কালীবাড়ি আনন্দময়ী কালীবাড়িতে মানুষের ভীড় ছিল দেখবার মতন। এছাড়া শিলিগুড়ির অন্যান্য কালীবাড়িতেও খিচুড়ি দেওয়া হয়েছে একেবারে নিষ্ঠার সাথে। মেঘলা আকাশ দেখে মানুষ যে আতঙ্কের মধ্যে ছিলেন পূজো দেখা নিয়ে গতকালের সেই আবহাওয়া মানুষের সেই আশঙ্কা দুর করে দিয়েছে। শিলিগুড়ির পাশাপাশি জলপাইগুড়িতেও ঠাকুর দেখতে মানুষের ভীড় ছিল দেখবার মতন। আশঙ্কাকে দুরে সরিয়ে ঠাকুর দেখতে মানুষের ঢল নেমেছিল জলপাইগুড়িতেও।কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া উত্তরবঙ্গের মানুষের দেওয়ালির রাত নির্বিঘ্নেই কেটেছে বলা যেতে পারে। এবারে শিলিগুড়ির আশ্রমপাড়ার নজরুল সরনীর গোল্ডেন এরোও ক্লাবের শ্যামা মায়ের পূজো ৪৯ বছরে পড়ল। অতি সুন্দর প্রতিমার প্রশংশায় পঞ্চমুখ সকলেই। মেয়র গৌতম দেব এবং ডেপুটি মেয়র রঞ্জন সরকার দুজনেই ভূয়সী প্রশংসা করে গেছেন প্রতিমার। সেক্রেটারি জয়ন্ত সাহা এবং আরো কয়েকজন সদস্য এর মুল কৃতিত্ব দাবী করতে পারেন। জয়ন্ত সাহা জানান এবারে আমরা কম বাজেটে পূজো করছি। তাই সবকিছু করে ওঠা সম্ভব হয় নি। তবে আমরা চেষ্টা করছি মানুষের দৃষ্টি আকর্ষন করতে।








