মারণ রোগে মৃত্যুর দিনে মানবিক কর্মসূচী
দাবদাহ লাইভ, অক্ষয় গুছাইত, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কোতোয়ালি থানার অন্তর্গত মির্জা বাজার এলাকার একজন বিশিষ্ট সমাজ সেবী তথা ব্যবসায়ী ইন্দ্রনীল চ্যাটার্জি। রাজা দা নামে সবাই এক ডাকে তাকে চিনতেন। অসহায় দুস্থ মানুষের বিপদে তার মন কেঁদে উঠত সবসময়। তাদের সেবায় ঝাঁপিয়ে পড়তেন সবার আগে। সেই পরোপকারী মানুষটাই আজ থেকে পাঁচ বছর আগে ২০১৯ সালের ২৮ সে এপ্রিল মারণ রোগের হাতছানিতে মাত্র ৫০ বছর বয়সে পাড়ি দিয়েছেন না ফেরার দেশে। ইন্দ্রনীল বাবুর স্মৃতিকে বুকে ধরে বেঁচে আছেন বৃদ্ধা মা রেবা চ্যাটার্জি, স্ত্রী ইলোরা চ্যাটার্জি, পুত্র ইন্দ্রায়ুধ ও ইন্দ্রাশিষ চ্যাটার্জি। রাজাদার চিন্তা – ভাবনা, পরোপকারী স্বত্তা সমাজের বিভিন্ন স্তরে পৌঁছে দিতে ২৭ শে এপ্রিল শনিবার এক গুচ্ছ মানবিক কর্ম সূচী গ্রহণ করেছিল মির্জা বাজার এলাকার চ্যাটার্জি পরিবার । সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষ চারা প্রদান, গ্রীষ্মকালীন রক্ত সংকট দূর করতে স্বেচ্ছা রক্তদান শিবির এবং গ্রীষ্মের প্রখর দাবদাহ থেকে মানুষকে একটু স্বস্তি দিতে সরবৎ প্রদানের মাধ্যমে রাজাদা স্মরণ করলেন তারা। এদিনের রক্ত দান শিবিরে ১৫ জন রক্তদাতা রক্ত দান করেন। আরও কিছু রক্তদাতা প্রচণ্ড গরমের জন্য অসুস্থ হয়ে পড়ায় রক্ত দান না করেই ফিরে যেতে বাধ্য হন। বাবার স্মৃতির উদ্দেশ্যে ইন্দ্রনীল বাবুর বড় ছেলে ইন্দ্রায়ুধ চ্যাটার্জিও রক্ত দান করে। রক্ত দাতাদের মধ্যে আটজন রক্ত দাতা এই প্রথম রক্ত দান করেন। মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ এবং হাসপাতালের ব্লাড ব্যাংকে রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। চ্যাটার্জি পরিবারের এই মানবিক কর্মসূচিতে পাশে দাঁড়িয়েছেন বিশিষ্ট সমাজ সেবী তথা শিক্ষক সুদীপ খাঁড়া, সমাজসেবী সুমন চ্যাটার্জী, বর্ণালী মন্ডল এবং সংহতি সেনগুপ্ত প্রমুখ। এখন থেকে এই রকম মানবিক কর্মসূচি প্রতি বছরই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন চ্যাটার্জি পরিবারের সদস্যরা।
ছাত্র মৃত্যুতে অধিকর্তার পদত্যাগ দাবী
নিউজ এক ঝলকে
মারণ রোগে মৃত্যুর দিনে রক্তদান সহ এক গুচ্ছ মানবিক কর্মসূচী
0%

















