বারাসাত শহর জুড়ে আবর্জনা ও দুর্গন্ধ
ডাম্পিং গ্রাউন্ড নির্মাণ দ্রুত গতিতে
দাবদাহ লাইভ, বারাসাত, মাবজুল চৌধুরীঃ উত্তর ২৪ পরগণা জেলার বারাসাত পৌর এলাকার দীর্ঘ দিনের জঞ্জাল জট সমাধানের পথে বলে সাম্প্রতিককালে জানা যায়। কিন্তু বর্তমানে যত্রতত্র জঞ্জাল ডাম্পিং করা ও দুর্গন্ধে রাস্তায় সাধারণ মানুষের চলাচলে দুরহ অবস্থার পরিস্থিতি সৃষ্টিও হয়। সাধারণ বাসিন্দা সহ নিত্য যাত্রীরা এ ব্যাপারে নানা অভিযোগে বিব্রত হলেও সয়ে গেছিল বলে প্রচার। বাড়ি বাড়ি ময়লা বা জঞ্জাল সংগ্রহের এক পৌর কর্মীর কথায়, যেহেতু রাস্তার উপর আপাতত ডাম্পিং করা হয় সে কারণে বেশী নোংরা আবর্জনা নেওয়া যাবে না। কম কম নেওয়া সম্ভব বলে সেই কর্মী জানায়। টাকি রোড ও যশোর রোড সহ শহর জুড়ে এই দুর্গন্ধের ভুক্তভোগী নিত্য পথযাত্রীরা। এমন কি, জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের কাছাকাছি স্তূপীকৃত অবর্জনা। একদিকে রাস্তার ধারে আবর্জনা, অপরদিকে বৃষ্টির ফলে দুর্গন্ধে গোটা এলাকায় বিশেষ করে শহরের প্রাণ কেন্দ্র কে এন সি রোডস্থ অসহনীয় পরিবেশ নিরসনে পৌরসভার কোন উদ্যোগ না থাকায় বিভিন্ন ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। আর কত দিন এই অসহনীয় দুর্গন্ধযুক্ত পরিবেশে চলতে হবে সে প্রশ্ন এখন সাধারণের মধ্যেও ঘোরা ফেরা করছে। পৌরসভার পরিষদীয় সদস্য সোমেন আচার্যকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদে ঠারে ঠারে মেনে নিলেও প্রতিদিন জঞ্জাল শহর থেকে সাফ হচ্ছে বলেও জানান। আগামী বছরের গোড়ার দিকে এই সমস্যা আর থাকবে না বলেও তিনি আশ্বাস দেন। ১৯ নাম্বার ওয়ার্ড লাগোয়া পঞ্চায়েত এলাকায় বেশ কয়েক একর জমি নিয়ে এক ডাম্পিং গ্রাউন্ড নির্মাণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে স্থানীয় সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার উদ্বোধন করলেও জমি জটে এই পরিকল্পনা মাঝ পথে আটকে যায়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে, শাসক দলের মধ্যেই বিবাদ প্রকাশ্যে চলে আসে। ২০২০ সালের সেই জট স্থানীয় নেতৃত্ব তথা কাউন্সিলার তাপস দাশগুপ্ত অগ্রণী ভূমিকা নিলেও গোল থেকে যায়। এবারে পারিষদীয় সদস্য সহ পৌরপ্রধান ও সাংসদের উদ্যোগে সেই জট পুরোপুরি ছেড়ে যায়। ড্রেন তৈরী সহ প্রায় ১৭.০ কোটি টাকার এই প্রকল্প বারাসাত বাসির জঞ্জাল বিষয়ে স্থায়ী সমাধান বলে জানালেন পৌরপ্রধান অশনি মুখোপাধ্যায়।




















