বাংলা-বিহার সীমান্ত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ২
দাবদাহ লাইভ, মালদা, তন্ময় মাহারাঃ পঞ্চায়েত ভোটের আগে স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে ফের বড়সড়ো সাফল্য পুলিশের। আগ্নেয়াস্ত্র সহ ধৃত ২। দুই জন এলাকায় সক্রিয় তৃণমূল কর্মী হিসেবেই পরিচিত। ফলে অস্বস্তিতে তৃণমূল নেতৃত্ব। যা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানোতোর। পঞ্চায়েত ভোটের আগে সন্ত্রাস চালানোর উদ্দ্যেশ্যে আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করছে বলে তৃণমূলকে তীব্র কটাক্ষ করেছে বিজেপির। আইন আইনের পথে চলবে বলে তৃণমূলের পাল্টা সাফাই। মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরে সাদলিচক গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাংলা-বিহার সীমান্তবর্তী এলাকার মাহারাপাড়া নাকাচেক পয়েন্ট থেকে, ওয়ান সাটার পিস্তল এক রাউন্ড গুলি সহ গ্রেপ্তার হয়েছে দুইজন। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে এ-এস-আই জাকির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান চালায় পুলিশ বাহিনী। কয়েক মাস আগে মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন যারা আগ্নেয়াস্ত্র মজুত করছে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে। আর তারপরেই বড় সড় সাফল্য হরিশ্চন্দ্রপুর থানা পুলিশের। ধৃত দুইজন এলাকায় তৃণমূল কর্মী বলে পরিচিত। মোহাম্মদ আরিফ (২৩), আব্দুল মালেক (32)। ধৃতদের বাড়ি হরিশ্চন্দ্রপুর থানার খোপাকাঠি এলাকায়। ধৃত ২ যুবককে চাঁচল মহকুমা আদালতের তোলা হয়। সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। আর পুরো ঘটনা নিয়ে শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। জেলা বিজেপির উত্তর মালদা সাংগঠনিক সম্পাদক রুপেশ আগরওয়াল বলেন, সামনে পঞ্চায়েত ভোট আসছে। তাই এখন থেকে অস্ত্র মজুত করছে তৃণমূল। যাতে ভোটের সময় সন্ত্রাস চালানো যায়। এদের দুর্নীতি এখন বাংলার মানুষ দেখছে। সমস্ত রকম দুর্নীতিতে এরা জড়িয়ে গেছে। তাই এবার মানুষ সঠিক জবাব দেবে। হরিশ্চন্দ্রপুর তৃণমূল চেয়ারম্যান সঞ্জীব গুপ্তা বলেন, এখানে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সুশাসন আছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোর মত নয় বলে জানালেন। তাই আইন আইনের পথে চলবে। এখানেও আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বিজেপির পায়ের তলায় কোন মাটি নেই। খারাপ কথা বলা এদের কাজ। সামনেই স্বাধীনতা দিবস। ফলে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। চারিদিকে চলছে জোরদার চেকিং। আর তারই মাঝে সাফল্য পুলিশের।








