প্রাচীন শহর দাঁইহাট
দাবদাহ লাইভ, কাটোয়া, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ পূর্ব বর্ধমান জেলার কাটোয়ার দাঁইহাট শহর হলো বহু প্রাচীন। ঝোপ জঙ্গলে ভরা ছিল মারাঠা বর্গী দস্যু ভাস্কর পন্ডিতের আমলে তৎকালীন জমিদাররা থেকে শুরু করে সবাই ছিল ভয়ে কম্পমান। তার নাম করে কচি কাঁচারা ঘুমিয়ে যেত; ছেলে ঘুমালো, পাড়া জুড়ালো, বর্গি এলো দেশে, বুলবুলিতে ধান খেয়েছে, খাজনা দেব কিসে? ধান ফুরালো,পান ফুরালো, এখন উপায় কি? আর ক’টা দিন সবুর করো,রসুন বুনেছি। করুণ সুরে মায়েরা বলতেন, আর ছেলে মায়ের করুণ মুখের দিকে চেয়ে ঘুমিয়ে পড়তো। বর্গিরা হানা দিয়েছিল দাঁইহাটে। ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করে চলেছে ১২০ বর্গফুটের একটা ভাঙা পাঁচিল। আড়াইশো বছরেরও বেশি পুরনো ওই পাঁচিলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দুর্গা পুজোর ইতিহাসও। এলাকার প্রবীণদের দাবি, ভাঙা পাঁচিলটি বাংলায় বর্গী হামলার অন্যতম নিদর্শন। মারাঠা দস্যু ভাস্কর পণ্ডিতের হাতে শুরু হয়েছিল এই পুজো। তারপর থেকেই দাঁইহাটের সমাজবাটি পাড়ার ওই দুর্গা পুজো ভাস্কর পণ্ডিতের পুজো বলে খ্যাত। গত ১৭ বছর ধরে সমাজবাটি পাড়ার বাসিন্দারা ওই ভাঙা পাঁচিলকে ঘিরেই পুজো করে চলেছেন। মারাঠা দস্যু ভাস্কর পণ্ডিতের হাতে শুরু হয়েছিল এই পুজো। আড়াইশো বছরেরও বেশি পুরনো ওই পাঁচিলের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে দুর্গা পুজোর ইতিহাসও। এলাকার প্রবীণদের দাবি, ভাঙা পাঁচিলটি বাংলায় বর্গী হামলার অন্যতম নিদর্শন। মারাঠা দস্যু ভাস্কর পণ্ডিতের হাতে শুরু হয়েছিল এই পুজো। তারপর থেকেই দাঁইহাটের সমাজবাটি পাড়ার ওই দুর্গা পুজো ভাস্কর পণ্ডিতের পুজো বলে খ্যাত। গত ১৭ বছর ধরে সমাজবাটি পাড়ার বাসিন্দারা ওই ভাঙা পাঁচিলকে ঘিরেই পুজো করে চলেছেন। মারাঠা দস্যু ভাস্কর পণ্ডিতের হাতে শুরু হয়েছিল এই পুজো। তারপর থেকেই দাঁইহাটের সমাজবাটি পাড়ার ওই দুর্গা পুজো ভাস্কর পণ্ডিতের পুজো বলে খ্যাত। এলাকাবাসী ওই ভাঙা পাঁচিলকে ঘিরেই পুজো করে চলেছেন। দাঁইহাটের সমাজবাড়ি।








