দুর্নীতির দায়ে প্রধানের পর বহিষ্কার উপপ্রধান
দাবদাহ লাইভ, তমলুক, অক্ষয় গুছাইতঃ সম্প্রতি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার তমলুক শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের শান্তিপুর-১ গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধানকে দুর্নীতির দায়ে বহিষ্কার করে দল। এবার সেই পঞ্চায়েতেরই উপপ্রধানকে পদ থেকে অপসারণ করা হল। এই অপসারণের খবর প্রসঙ্গে তৃণমূলের তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্র বলেন, শান্তিপুরের উপপ্রধানকে অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেস দলীয় সমস্ত পদ থেকে অপসারিত করেছে। আমাকে অপসারণের কথা জানানোর পর আমি উর্দ্ধতন নেতৃত্বকে বিষয়টি জানিয়েছি। এর থেকে আর বেশি কিছু বলার নেই এখন। শান্তিপুর এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরেই অশান্তিতে অভিযোগের আঙুল উঠছিল প্রধান সেলিম আলি ও উপপ্রধান কৃষ্ণা সামন্ত রায়ের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে স্থানীয় নেতৃত্ব রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে কথাও বলেন বলে সূত্রের দাবি। এরপরই গত চলতি সপ্তাহেই সেলিম আলিকে প্রধানের পদ থেকে সরানো হয়। এবার উপপ্রধান কৃষ্ণা সামন্ত রায়কেও অপসারণ করা হল। রবিবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসেই এই খবর সামনে আসে। শান্তিপুর-১ তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি পঞ্চানন দাস বলেন, গত ৩০ ডিসেম্বরের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় শান্তিপুর গ্রামপঞ্চায়েতের উপপ্রধান কৃষ্ণা সামন্ত রায়কে অপসারণ করা হবে। সেইমতোই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বহিষ্কারপত্রের প্রতিলিপি শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের পঞ্চায়েত সমিতি সভাপতির রাজেশ হাজরা, ব্লক সভাপতি অপূর্ব জানা, মহিলা নেত্রী সোমা ঘোষকে পাঠানো হয়েছে। যদিও কৃষ্ণা সামন্ত রায়ের সঙ্গে এদিন কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি। তবে এ নিয়ে তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস নতুন খেলায় মেতে উঠেছে। ওরা মানুষকে বোঝাতে চাইছে ওদের স্বচ্ছতা রয়েছে। কিন্তু মানুষ পঞ্চায়েত নির্বাচনে যোগ্য জবাব দেবেই। প্রসঙ্গত, পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তমলুক শহিদ মাতঙ্গিনী ব্লকের শান্তিপুর-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সেলিম আলিকে প্রধানের পদ থেকে ইস্তাফা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস। সেইমতো ইস্তফাও দেন তিনি। এরপরই বোল্ডার দুর্নীতির অভিযোগে তমলুক থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতারও করে। অভিযুক্ত প্রাক্তন প্রধান সেলিম আলি এখন পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।








