দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মডিফায়েড সাইলেন্স যুক্ত মোটরসাইকেল
দাবদাহ লাইভ, বসিরহাট, হরিগোপাল দত্ত: উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় বসিরহাট মহকুমা জুড়ে শহরের রাজপথে সন্ধ্যা নামলেই শুরু হয় বিকট শব্দ বাইকের দাপাদাপি। ইদানিং যে কোন সামাজিক উৎসবে অথবা অকারনে নিয়ম-কানুনের তোয়াক্কা না করে একদল যুবককে পাশ দিয়ে প্রচন্ড শব্দ করতে করতে মোটরসাইকেল নিয়ে ছুটে যেতে দেখা যায়। শব্দ শুনলে মনে হবে কোন যুদ্ধ বিমান যাচ্ছে। মাঝে মাঝে ফিট ফট আওয়াজ ও শোনা যায়। মনে হবে কাছাকাছি কেউ হয়তো বন্দুক থেকে গুলি ছুড়ছে। এগুলো হলো মডিফায়েড সাইলেন্সার যুক্ত মোটরসাইকেল, আফটার মার্কেট সাইলেন্সার নামেও পরিচিত। এরপরে আতঙ্ক ও শব্দ দুষণের সঙ্গে সঙ্গে দুর্ঘটনা বাড়ছে। পরিবেশ সংক্রান্ত সংক্রান্ত বিধি অনুযায়ী স্কুটার ও মোটরসাইকেলের সবোর্চ্চ শব্দ সীমা ৮০ ডেসিবেল। কিন্তু এই বাইকগুলো ১২০ ডেসিবেল থেকে ১৩০ ডেসিবেলের বেশী শব্দ উৎপন্ন করে। অর্থাৎ সরাসরি নিয়ম লঙ্ঘন। এ ছাড়া কারখানার মডেল পরিবর্তন করা অবৈধ। ১–৩ হাজার টাকা খরচ করে এই পরিবর্তন করা হচ্ছে। মূলত স্টাইল করার জন্য যুব সম্প্রদায়ের একাংশ এই ধরনের সাইলেন্সার ব্যবহার করতে শুরু করেছে। কিন্তু এর ফলে যে শব্দ দূষণের সৃষ্টি হচ্ছে সেই খেয়াল ওদের থাকছে না। ইদানিং পুলিশ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে এমন বাইকারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে। সংবাদ মাধ্যমের দৌলতে বেশ কিছু জায়গায় মডিফায়েড সাইলেন্সার সিজ করে জমা করানো হচ্ছে। এটা খুবই ভাল লক্ষন। অনেকেই পুলিশের এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসাও করেছেন। তাদের বক্তব্য, শুধু ভেঙে দেওয়া নয় ৭৫টি সিস করা হয়েছে । শব্দ দূষণ সৃষ্টিকারী বাইকারদের পাশাপাশি যেসব গ্যারেজ মিস্ত্রী এই ধরনের সাইলেন্সার লাগিয়ে দিচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। এগিয়ে আসতে হবে মোটরবাইক প্রস্তুত কারক কোম্পানিগুলোকে উৎসবের মরশুমে সব পক্ষকে সতর্ক হতে হবে। উল্লেখ্য, বসিরহাট ট্রাফিক গার্ডের উদ্যোগে এই অভিযান বলে জানা যায়।
দাপিয়ে বেড়াচ্ছে মডিফায়েড সাইলেন্স মোটরসাইকেল
0%

















