ডায়মন্ডহারবারে নদীতে তলিয়ে যাওয়া দুই নাবালিকার দেহ উদ্ধার হলদী নদীতে
দাবদাহ লাইভ, হলদিয়া, অক্ষয় গুছাইতঃ মঙ্গলবার পূর্ব মেদিনীপুরের সুতাহাটা এলাকায় হলদিয়ার কাছে হলদি ও হুগলি নদীর সংযোগস্থল থেকে প্রায় ৪৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার হল দুই বোনের দেহ। রবিবার সন্ধেয় ডায়মন্ড হারবার জেটি ঘাট থেকে তলিয়ে গিয়েছিল দুই নাবালিকা। ছত্তিশগড়ে বাসিন্দা জাকির হোসেন কিছুদিন আগে তপসিয়ার পঞ্চাননতলায় আত্মীয়ের বাড়িতে আসেন। রবিবার সন্ধেয় কুঁকড়াহাটি থেকে ভেসেলে ডায়মন্ডহারবার জেটি ঘাটের উদ্দেশে রওনা হন। সন্ধে সাড়ে ছ’টা নাগাদ ভেসেল পৌঁছায় ডায়মন্ড হারবার জেটি ঘাটে। ওই ভেসেলটি যেখানে নোঙর করা হয় তার সামনে রাখা ছিল আরেকটি ভেসেল। তাতেই ঘটে দুর্ঘটনা। দুটি ভেসেলের মাঝে ফাঁক ছিল। কিন্তু নামার সময় তা খেয়াল করেনি ওই দুই বোন। ফলে ফাঁক দিয়ে গলে পড়ে যায় নদীতে। রাতেই শুরু হয় হয় তল্লাশি। জেটি ঘাটে যান খোদ এসডিও অঞ্জন ঘোষ। রাতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালালেও হদিশ মেলেনি তাদের। সোমবার সকালে ফের শুরু হয় তল্লাশি অভিযান। পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, ক্যুইক রেসপন্স টিম রয়েছে ঘটনাস্থলে। কাকদ্বীপ থেকে নিয়ে আসা হয় ডুবুরির দল। আকাশে ওড়ানো হয় ড্রোন। কিন্তু তাতেও হদিশ মেলেনি দুই নাবালিকার। অবশেষে মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব মেদিনীপুরের সুতাহাটা এলাকায় হলদি ও হুগলি নদীর সংযোগস্থলে প্রথমে মত্স্যজীবীদের জালে ওঠে আতিফা নাসরিনের দেহ। মত্স্যজীবীদের তরফে খবর দেওয়া হয় ডায়মন্ডহারবার পুলিশে। ওই নাবালিকার দেহ উদ্ধারের কিছুক্ষণের মধ্যে একই জায়গা থেকে উদ্ধার হয় সিতারা তাসরিনের দেহ। জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই দুই নাবালিকার দেহ শনাক্ত করেছে পরিবারের সদস্যরা। পুলিশের তরফে দেহ দুটি পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। পোস্টমর্টেম শেষে দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। বেড়াতে এসে দুই সন্তানকে হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন মৃতদের বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যরা।








