ডেঙ্গু মোকাবিলায় ১০০ দিনের কাজের দাবী তৃণমূলের
দাবদাহ লাইভ, বৈশাখী সাহা, উত্তর ২৪ পরগনাঃ রাজ্যে ডেঙ্গি পরিস্থিতি ভয়ংকর রূপ ধারণ করেছে। বর্তমানে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা নিয়ে কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে রাজ্য প্রশাসনের। ডেঙ্গি মোকাবিলায় যথেষ্ট তৎপর রয়েছে সরকার। রাজ্যজুড়ে সরকারের পক্ষ থেকে চলছে ডেঙ্গু সচেতনতার কর্মসূচি। প্রতিটি জেলার ব্লক এবং পঞ্চায়েতগুলিতে সচেতনতার প্রচার অব্যাহত রাখা হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এলাকার মানুষজনদের সচেতন করা হচ্ছে। মশা বাহিত রোগ থেকে মুক্তি পেতে বাড়ির আশেপাশে যেন জল না জমে। নোংরা আবর্জনা না পড়ে থাকে। বন-জঙ্গল পরিষ্কার করে ব্লিচিং পাউডার ছড়ানো, মশার তেল স্প্রে করা ইত্যাদি। জনসচেতনতার পাশাপাশি মশা নিধন যজ্ঞে মেতে উঠেছে রাজ্য প্রশাসনের জনপ্রতিনিধিরা। ডেঙ্গি পরিস্থিতি নিয়ে দফায় দফায় নবান্নতে চলছে বৈঠক। পুজোর আগে মানুষের মনে রীতিমতো ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি। ডেঙ্গির থাবায় আক্রান্ত বহু মানুষ। প্রতিদিন প্রায় ৩০০-র ও বেশি মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। পরিসংখ্যান বলছে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই। বর্ষার শুরু থেকেই ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছে, তাতে করে রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গুর দাপট। ডেঙ্গুর চোখ রাঙ্গানিতে যথেষ্ট উদ্বেগ বাড়ছে সাধারণ মানুষের। আর সেই ডেঙ্গু মোকাবিলায় চলছে সাফাই অভিযান। জনসচেতনতা বাড়াতে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত ১ নম্বর ব্লকের কদম্বগাছি গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে বাড়ি বাড়ি প্রচার চালানোর চিত্র ধরা পড়ে সংবাদমাধ্যমের ক্যামেরায়। আশা কর্মী, আইসিডিএস কর্মী,ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মীদের নিয়ে অঞ্চল প্রধান মাধুরী মন্ডল, উপপ্রধান হাসিবুল আজাদ, জনস্বাস্থ্য সঞ্চালক তারা মিস্ত্রি সহ সকল পঞ্চায়েত সদস্য ও কদম্বগাছি অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি নিজামুল কবিরকে গ্রামের প্রতিটি পাড়ায় পাড়ায় মানুষের কাছে পৌঁছে যেতে দেখা যায়। ডেঙ্গু মোকাবিলায় কেন্দ্রের দিকে আঙুল তুলে কদম্বগাছি অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি নিজামুল কবির বলেন, একশো দিনের কাজ বন্ধ হওয়ায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। যে কোন কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে থেকে রাজ্য তথা দেশের মানুষকে রক্ষা করবার দায়িত্ব যেমন রাজ্য সরকারের, তেমনি কেন্দ্র সরকারও তার দায় এড়াতে পারে না। ডেঙ্গু মোকাবিলায় পুনরায় ১০০ দিনের কাজ অবিলম্বে চালু করা হোক, আবেদন কেন্দ্র সরকারের কাছে।

















