অন্তরদীপন ১১ বছরে নাট্য যোদ্ধা সম্মান প্রদান
দাবদাহ লাইভ, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ সময়টা ২০১২ সালের ১৭ই আগস্ট, কয়েকজন মিলে সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে তৈরি করে ফেলেছিল একটি নাটকের দল, এই দিনেই রেজিস্ট্রেশনের স্বীকৃতি পেয়ে তৈরি হয় “অন্তরদীপন সোসাইটি” সোদপুর পানিহাটি এলাকায়। এখন ২০২৩ দলের বয়স ১১, এই ১১ বছর বয়সে অন্তরদীপন সোসাইটি পানিহাটি লোকসংস্কৃতি ভবনের ছোট হল তথা নজরুল মঞ্চে ২৯ ও তিরিশে আগস্ট সংগঠিত করেছিল নবম নাট্য উৎসবের, এই নাট্যোৎসবকে সমৃদ্ধ করেছেন দর্শক ও আগত অতিথিবৃন্দ। এসেছিলেন বিজয় মুখার্জি (পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমি সদস্য) মহাশয়, অতনু সরকার (পশ্চিমবঙ্গ নাট্য একাডেমীর সদস্য) ডঃ অপূর্ব দে (নাট্যকার, নির্দেশক, নাট্য গবেষক ও অভিনেতা)। অন্তরদীপন সোসাইটি এ বছর যাকে নাট্যযোদ্ধা সম্মান দিয়ে সমৃদ্ধ হয়েছে- ডঃ মৃণাল মুখোপাধ্যায়( নাট্যকার ও নাট্য নির্দেশক) মহাশয়, উৎসবের এই দুটি দিনে যে নাটকগুলি মঞ্চস্থ হয়েছে- সেগুলি হল পান্ডুয়া চক্রবাক নাট্যপীঠের ‘বিনিময়’, তিলজলা কল্পন নাট্যগোষ্ঠীর ‘গান্ধারী’, বাকসা ব্রাত্যজন নাট্যজনের ‘হারানো প্রাপ্তি’, জপুর সাংস্কৃতিক প্রাঙ্গণের ‘পিস্তল’, অন্তরদীপন সোসাইটি উৎসবের দুটি দিনে দুটি নতুন প্রযোজনা নিবেদন করেছে এ বছর, প্রথমটি নাট্যকার সৌমিত্র বসু রচিত নাটক বিজয়ের ঘর ও দ্বিতীয়টি রবি ঠাকুরের বদনাম গল্পটির নাট্যরূপ দিয়েছেন ডঃ অপূর্ব দে। বিজয়ের ঘর ও বদনাম এই দুটি নাটকের নির্দেশনা পূর্ণা পাল ও সামগ্রিক পরিকল্পনা মৃত্যুঞ্জয় দাসের। বহুমুখী বিষয়ের নাট্য ভাবনাচিন্তা ও তার পরিবেশনের বৈচিত্র্যপূর্ণ ডালি উৎসবের দুটি দিনকে দর্শক মুগ্ধ করেছে তা বলাই বাহুল্য। সবশেষে একটাই কথা থিয়েটারের জয় হোক।













